📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাবেক আইসিসি বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের শান্তি পুরস্কার পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আদালতের কার্যক্রম বন্ধ হবে না
যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাবেক আইসিসি বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের শান্তি পুরস্কার পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এতে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
- 📌 নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরপরই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবেন না।
- 📌 আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাজ দুর্বল করাই এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য।’
- 📌 নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে আইসিসির সাথে কাজ করা কোম্পানিগুলো মার্কিন ব্যাংক, বিমা ও সফটওয়্যার সেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
- 📌 নোবেল কমিটি বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করা শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার অন্যতম শর্ত।
- 📌 নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মার্কিন কোম্পানিগুলো কাজ করতে পারবে না, যার ফলে ব্যাংক হিসাব বন্ধ হতে পারে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর চারটি সাধারণ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, যাতে আইসিসির টেলিযোগাযোগ ও পেনশন সংক্রান্ত কিছু লেনদেন চালানো যাবে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাবেক আইসিসি বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের শান্তি পুরস্কার পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। আইসিসির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত। নোবেল কমিটি বলেছে, পিল্লাইকে পুরস্কার দেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা বিশ্বকে একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চেয়েছে — বিচারক ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবেন না। এই নিষেধাজ্ঞা আইসিসিকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়া কোম্পানিগুলোকেও শাস্তির মুখে পড়তে হবে। তাদের সম্পদের পথ বন্ধ করা হবে এবং কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা পঙ্গু করে দেওয়া হবে।’
আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজহাত শামীম খান নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাজ দুর্বল করাই এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য। আমাদের সব মামলা, তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম চলতে থাকবে।’
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মার্কিন কোম্পানিগুলো কাজ করতে পারে না। এর ফলে ব্যাংকগুলো হিসাব বন্ধ করতে পারে, বিমা কোম্পানি সেবা বন্ধ করতে পারে এবং সফটওয়্যার কোম্পানিও সহযোগিতা স্থগিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় চারটি সাধারণ লাইসেন্স দিয়েছে, যাতে আইসিসির টেলিযোগাযোগ ও সফটওয়্যার-সংক্রান্ত কিছু লেনদেন করা যাবে। পেনশনের অর্থ পরিশোধ এবং আদালতের হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু লেনদেনও এর আওতায় পড়বে।
"আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাজ দুর্বল করাই এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য। আমাদের সব মামলা, তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম চলতে থাকবে।"
— নাজহাত শামীম খান, আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), নেদারল্যান্ডস (আইসিসির সদর দপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, নাজহাত শামীম খান, মার্কো রুবিও, নাভি পিল্লাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৫টি সদস্য দেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!