📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাইক্রোসফটসহ আট কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা: যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা অপব্যবহার অভিযোগ

মাইক্রোসফটসহ আট কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা: যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা অপব্যবহার অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার অভিযোগে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো মার্কিন কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার অভিযোগে মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স গতকাল বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে অভিযোগ করেন যে, এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল এবং ক্যাপজেমিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস মাইক্রোসফটসহ আটটি কোম্পানির ওপর স্থায়ী ভিসা আবেদন নিষিদ্ধ করেছে
  • 📌 ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের অভিযোগ: মাইক্রোসফট মার্কিন কর্মীদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা দেওয়া হয়, এতে পিইআরএম প্রোগ্রামের আওতায় নিষেধাজ্ঞা
  • 📌 মাইক্রোসফটের মুখপাত্রের দাবি: ৮০ শতাংশ আবেদন ছিল কর্মরত কর্মীদের জন্য, নতুন নিয়োগ নয়
  • 📌 ভ্যান্সের তথ্য: গত অর্থবছরে মাইক্রোসফট ৬ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে ৬ হাজার ৮০০টি ভিসা আবেদন করেছে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের অভিযোগ অনুযায়ী, মাইক্রোসফটের মতো আর কোনো কোম্পানি এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থার এতটা অপব্যবহার করেনি। তিনি বলেন, মাইক্রোসফট মার্কিন কর্মীদের বাদ দিয়ে ‘বিদেশি চুক্তিবদ্ধ কর্মী’ নিয়োগ দিচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী কিথ সোন্ডারলিং জানান, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের (পিইআরএম) আওতায় মাইক্রোসফটসহ আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন ও চলমান কোনো ভিসা আবেদন আর প্রক্রিয়া করা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা দেওয়া হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে মাইক্রোসফট ৬ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। একই সময়ে কোম্পানিটি এইচ-১বি ভিসার জন্য ৬ হাজার ৮০০টি আবেদন করেছে। মার্কিন কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া এবং তাদের মজুরি কমিয়ে দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে ভ্যান্স এসব তথ্য জানান।

বিশ্বজুড়ে মাইক্রোসফটে দুই লাখের বেশি কর্মী কর্মরত আছেন। কোম্পানিটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কর্মীদের ‘বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ’ মার্কিন নাগরিক। তবে মাইক্রোসফটের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, গত অর্থবছরে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে করা এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ৮০ শতাংশ ছিল আগে থেকেই কর্মরতদের জন্য। এসব আবেদন নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য ছিল না।

"মাইক্রোসফটের মতো আর কোনো কোম্পানি এ ভিসা ব্যবস্থার এতটা অপব্যবহার করেনি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, শ্রমমন্ত্রী কিথ সোন্ডারলিং
  • 📌 কোম্পানিগুলো: মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল, ক্যাপজেমিনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ হাজার (এইচ-১বি ভিসা), ৮০ শতাংশ (আবেদন), ৬ হাজার (ছাঁটাই), ৬ হাজার ৮০০ (ভিসা আবেদন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖