📌 যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ ২০টি দেশের বিশেষায়িত ওষুধ ও কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত করেছে। এই সিদ্ধান্তে বাধা পেলে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্য ছিল। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এই শুল্কমুক্ত নীতি
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ এবং এর কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে এখন এই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশসহ আরো ১৯টি দেশ ও অঞ্চল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ ও কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত করেছে।
- 📌 শুল্কমুক্ত পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা, কোষ ও জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস এবং পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ।
- 📌 শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়েতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিখটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই শুল্কমুক্ত নীতি কার্যকর হয়েছে।
- 📌 প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসারে এই পরিবর্তন এসেছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তর ফেডারেল রেজিস্টারে একটি সরকারি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে শুল্কমুক্ত পণ্যের শ্রেণী এবং দেশের তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তি ছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এপ্রিল মাসের একটি নির্দেশনা। ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ধারা-২৩২-এর অধীনে নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধ এবং জৈব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে এই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চল।
শুল্কমুক্ত পণ্যের তালিকায় রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা, উন্নত কোষ ও জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস এবং পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত মৌলিক উপাদান বা কাঁচামালও শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দেশ ও অঞ্চলগুলোর কার্যকর বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোর চুক্তি থাকতে হবে।
"জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস"-এর সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে এবং এর আওতায় পেটেন্টবিহীন পশুচিকিৎসার ওষুধও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন), বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি দেশ, ১০০ শতাংশ শুল্ক, ০ শতাংশ শুল্ক, ২৩২ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!