📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রিচল্যান্ড অঞ্চলে ইউ-পিক পদ্ধতিতে ডোনাট পিচ তুলে খাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক। গ্রীষ্মকালীন এ ফলটির স্বাদ, বৈশিষ্ট্য ও চাষাবাদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রিচল্যান্ড অঞ্চলে ইউ-পিক পদ্ধতিতে ফল তুলে খাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক। গ্রীষ্মকালীন ফল ডোনাট পিচের স্বাদ, বৈশিষ্ট্য ও চাষাবাদের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রিচল্যান্ড অঞ্চলে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইউ-পিক পদ্ধতিতে ফল তোলা হয়
- 📌 ইউ-পিকের নিয়ম অনুযায়ী বাগানে প্রবেশের পর ফল তুলে খাওয়া যায়, তবে বাইরে আনতে চাইলে নির্ধারিত মূল্যে কিনতে হয়
- 📌 ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে লেখক ও তাঁর পরিবার হারভেস্ট লেনের ‘রে ফ্রেঞ্চ অর্চাড’ থেকে ডোনাট পিচ তুলে খান
- 📌 ডোনাট পিচের বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্রুনাস পারসিকা’ ভ্যারাইটি ‘প্লাটিকারপা’, যা দেখতে ডোনাটের মতো
- 📌 ফলটির ব্যাস ৫ থেকে ৭ সেন্টিমিটার, খোসা পাতলা ও মসৃণ, শাঁস সাদা থেকে হাতির দাঁতের রঙের
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রিচল্যান্ড অঞ্চলে ইউ-পিক পদ্ধতিতে ফল তুলে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এখানে বিভিন্ন ধরনের ফল তোলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বেন্ট চেরি, রেইনিয়ার চেরি, ডোনাট পিচ, হোয়াইট নেকটারিন, রিচ প্রাইড পিচ, ইয়েলো পিচ, ইয়েলো নেকটারিন, সামার অ্যামেলিয়া ইয়েলো নেকটারিন ও প্ল্যাম এক্স এপ্রিকট।
লেখক তাঁর স্ত্রী নাসরীন, মেয়ে ও জামাই ডা. ফাহাদসহ ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সকাল দশটায় হারভেস্ট লেনের ‘রে ফ্রেঞ্চ অর্চাড’ পরিদর্শনে যান। ওই দিন তাঁরা ডোনাট পিচ তুলে খান। ইউ-পিকের নিয়ম অনুযায়ী, বাগানে প্রবেশের পর ফল তুলে খাওয়া যায় ইচ্ছেমতো। তবে বাইরে আনতে চাইলে প্রতি পাউন্ড সোয়া তিন ডলার মূল্যে কিনতে হয়।
কলাম্বিয়া মালভূমির পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত অর্চাডগুলো ৬০ লাখ থেকে প্রায় পৌনে দুই কোটি বছরের পুরোনো ব্যাসাল্ট নামের আগ্নেয়শিলায় গঠিত। এখানে গাছে গাছে ফল ধরে থাকায় তা দেখতে অভূতপূর্ব ও বিস্ময়কর। চারদিকে হলুদ রঙের ফিতার বেষ্টনী দিয়ে নির্দিষ্ট করে লেখা থাকে কোন গাছের ফল তোলা যাবে।
ডোনাট পিচ দেখতে ডোনাটের মতো। ফলের মাঝখানের বোঁটা তুলে ফেলে উবু করে রাখলে মধ্যকার গর্তসহ ফলটি ডোনাটের মতো দেখায়। বৈজ্ঞানিক নাম ‘প্রুনাস পারসিকা’ ভ্যারাইটি ‘প্লাটিকারপা’। ফলটির ব্যাস ৫ থেকে ৭ সেন্টিমিটার। খোসা মসৃণ, টানটান ও পাতলা, যা পেকে গেলে সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খোসার নিচে সাদা থেকে হাতির দাঁতের রঙের শাঁস ঘন, রসালো ও কোমল।
"ফলের নরম খোসায় খুব সামান্য বা কোনো আঁশ থাকে না বলে খোসা না ফেলেও খাওয়া যায়। সুপক্ক ফলটি অসাধারণ মিষ্টি, রসালো, সুস্বাদু ও মজাদার, সহজে কামড়ে খাওয়া যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রিচল্যান্ড অঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক, স্ত্রী নাসরীন, মেয়ে ও জামাই ডা. ফাহাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ থেকে ৭ সেমি (ফলের ব্যাস), ৬০ লাখ বছর (ব্যাসাল্টের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!