📌 ইরাক থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিল মার্কিন সেনা। ২০০৩ সাল থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘদিনের সামরিক অভিযানের শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ সেনারা দেশ ছেড়ে যায়। তবে ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি ও আইএসের পুনরুত্থানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে
মার্কিন সেনা ইরাক থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিল। ২০০৩ সালে শুরু হওয়া দীর্ঘদিনের সামরিক অভিযানের অবসান ঘটল। মঙ্গলবার ইরাকের সার্বভৌমত্ব দিবস উপলক্ষে শেষ মার্কিন সেনারা দেশ ছেড়ে যায়। তবে এই প্রত্যাহারের পর ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা শূন্যতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ইরাক থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার হয় মার্কিন সেনা। ২০০৩ সাল থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- 📌 ইরাকের সরকার বলছে, বিদেশি সামরিক উপস্থিতি ছাড়াই দেশের নিরাপত্তা নিজেদের হাতে নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।
- 📌 ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মার্কিন নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। সর্বোচ্চ সেনা সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার।
- 📌 ২০২৪ সালে জো বাইডেনের প্রশাসনের সঙ্গে ইরাকের সমঝোতার ভিত্তিতে প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়। তখন ইরাকে ছিল ২ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা।
- 📌 মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি ও আইএসের পুনরুত্থানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
- 📌 ইরাকের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন গোয়েন্দা সহায়তা না থাকায় আইএসের মতো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো কঠিন হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সাদ্দাম হোসেনের শাসনপতন ঘটে। এরপর থেকে ইরাকে মার্কিন সেনার উপস্থিতি ছিল। সর্বোচ্চ সময়ে সেনা সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার। ২০১১ সালে বড় পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের পর ২০১৪ সালে আবারও মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয় আইএসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে।
২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সঙ্গে ইরাকের সমঝোতার ভিত্তিতে প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়। সে সময় ইরাকে ছিল ২ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা। এর মধ্যে পরবর্তী সময়ে বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ সময়সীমা পর্যন্ত শেষ সেনারা দেশ ছেড়ে যায়।
ইরাকের সরকার বলছে, বিদেশি সামরিক উপস্থিতি ছাড়াই দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরাকি বাহিনী সক্ষম। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন গোয়েন্দা ও নজরদারি সহায়তা না থাকায় আইএসের মতো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো কঠিন হতে পারে।
"মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায় ইরানে কৌশলগতভাবে সুবিধা তৈরি করতে পারে। কারণ, এতদিন মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ইরাকে তেহরানের প্রভাবের বিপরীতে একটি ভারসাম্য হিসেবে কাজ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরাক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জো বাইডেন, সাদ্দাম হোসেন, ইরাকি নিরাপত্তা বিশ্লেষক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০০৩, ২০২৪, ২ হাজার ৫০০, ১ লাখ ৭০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!