📌 যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে গ্রিনল্যান্ডে দক্ষিণাঞ্চলের নারসারসুয়াক ও পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগে দুটি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করবে। এই ঘাঁটিগুলোতে ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে। এই চুক্তির আওতায় দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াকে স্নায়ুযুদ্ধের একটি পুরাতন সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করা হবে এবং পূর্ব উপকূলে মেস্টারসভিগে আরেকটি ঘাঁটি স্থাপন করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, যা গ্রিনিচ মান সময়ে ১৪:৩০-এ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 পুনরায় চালু করা হবে দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াকে ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান ঘাঁটি এবং পূর্ব উপকূলে মেস্টারসভিগে নতুন ঘাঁটি স্থাপন করা হবে।
- 📌 নারসারসুয়াকের বর্তমান জনসংখ্যা কয়েক ডজন, আর মেস্টারসভিগে বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনী সিরিয়াস ডগ স্লেজ পেট্রল পরিচালনা করছে।
- 📌 চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি, তবে ন্যাটোর আওতায় আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়েছে।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের চাপের পর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে, যিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিতে চান।
- 📌 সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাউ হোয়াইট হাউসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে, যেখানে তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করার বিষয়টি তিনজন অবগত ব্যক্তি এবং রয়টার্সের তথ্য থেকে জানা গেছে। এই ঘাঁটি দুটি হবে দক্ষিণাঞ্চলের নারসারসুয়াক এবং পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগে। ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়ার পর নারসারসুয়াকের জনসংখ্যা দ্রুত কমে এখন কয়েক ডজনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, মেস্টারসভিগে বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনী সিরিয়াস ডগ স্লেজ পেট্রল পরিচালনা করছে।
চুক্তির বিষয়ে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সরকারের সাথে যোগাযোগ করলেও তারা মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রও চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে তিনি আগের একটি বিবৃতিতে বলেছিলেন, এই চুক্তি স্বাক্ষর করে গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
ডেনমার্কের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ন্যাটোর আওতায় আসবে। ফলে এর দায়িত্ব শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাউ মামলা করেছে, যেখানে তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিতে চান। তিনি এমনকি গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও উল্লেখ করেছেন। তবে জনমত জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডবাসীরা এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
"মঙ্গলবার চুক্তিতে সইয়ের মাধ্যমে ‘গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সুরক্ষিত’ করা হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড (নারসারসুয়াক ও মেস্টারসভিগে), নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), ডেনমার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), অবগত তিনজন ব্যক্তি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি সামরিক ঘাঁটি, ১০:৩০ (গ্রিনিচ মান সময়), ১৭টি পুরাতন ঘাঁটি, ১০,০০০+ (স্নায়ুযুদ্ধকালে সেনাসদস্য), ১৫০ জন (বর্তমান পিতুফিক স্পেস বেসে সেনাসদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!