📌 যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি বন্ধ সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই ঘাঁটিগুলোতে ন্যাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের চাপের ফলেই এই চুক্তি সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ১৯৫০-এর দশকে বন্ধ করা দুটি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই ঘাঁটিগুলোতে ন্যাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হবে বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের চাপের ভূমিকা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে বন্ধ ঘাঁটি **নারসারসুয়াক** এবং পূর্ব উপকূলের **মেস্টারসভিগ** পুনরায় চালু করবে।
- 📌 এই ঘাঁটিগুলোতে **ন্যাটো** নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 **২২ সেপ্টেম্বর** ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সাথে যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে।
- 📌 **১৯৫০-এর দশকে** যুক্তরাষ্ট্রের **১৭টি সামরিক ঘাঁটি** বন্ধ করা হয়েছিল। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডে মাত্র **১৫০ জন** সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।
- 📌 **ডোনাল্ড ট্রাম্প** দীর্ঘদিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছেন।
📰 বিস্তারিত
গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্নায়ুযুদ্ধের সময় স্থাপিত একটি বন্ধ সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘাঁটি বর্তমানে ডেনমার্কের ডগ স্লেড প্যাট্রোল ইউনিট ব্যবহার করছে। তিনজন অবগত ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সাথে যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে **নারসারসুয়াক** এবং পূর্ব উপকূলের **মেস্টারসভিগ** নামক দুটি ঘাঁটি পুনরায় চালু করবে।
১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের **ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান** নামের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা হয়েছিল। নারসারসুয়াকের জনসংখ্যা বর্তমানে মাত্র কয়েক ডজনে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, মেস্টারসভিগ ঘাঁটিটি বর্তমানে ডেনিশ বিশেষ বাহিনীর সিরিয়াস ডগ স্লেড প্যাট্রোল ব্যবহার করে।
যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিরা **২২ সেপ্টেম্বর** নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চুক্তির বিস্তারিত বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনটি সূত্র জানিয়েছে, সই হওয়ার আগপর্যন্ত চুক্তির বিস্তারিত বিষয়গুলো চূড়ান্ত নয়।
হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র এই চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আগের একটি বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, এই চুক্তিটি ‘গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত ও সুরক্ষিত করবে’। ডেনমার্ক জানিয়েছে যে, এই চুক্তির ফলে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ন্যাটো-এর তত্ত্বাবধানে আসবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের চাপের মুখে এই চুক্তিটি করা হচ্ছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে আসছেন। জনমত জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এই ধারণাটি প্রত্যাখ্যান করেছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের **১৭টি সামরিক স্থাপনা** ও **১০ হাজারেরও বেশি সেনা ও কর্মী** মোতায়েন ছিল। বর্তমানে সেখানে কেবল ‘পিটুফিক স্পেস বেস’ টিকে আছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় **১৫০ জন** সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।
"গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত ও সুরক্ষিত করবে" — হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড (নারসারসুয়াক, মেস্টারসভিগ), নিউ ইয়র্ক সিটি, ডেনমার্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৭টি ঘাঁটি, ১০ হাজার+ সেনা, ১৫০ জন সামরিক সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!