📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে তৃতীয় বিমানবাহী জাহাজ পাঠাচ্ছে, যা যুদ্ধের অষ্টম মাসে বাড়তি সামরিক প্রস্তুতি ও ডিপ্লোমেসির সঙ্গে জড়িত। মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নভেম্বর শেষে তিনটি বিমানবাহী জাহাজ ও দুটি অ্যামফিবিয়াস ল্যান্ডিং গ্রুপ ইরানের চারপাশে অবস্থান করবে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে তৃতীয় বিমানবাহী জাহাজ পাঠাচ্ছে, যা বর্তমান যুদ্ধের অষ্টম মাসে সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়ে তোলার অংশ হিসেবে বিবেচিত। মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজেরার সাথে কথা বলতে গিয়ে জানান, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী জাহাজ গ্রুপ সান ডিয়েগো থেকে রবিবার রওনা দিয়েছে, যা পরের দিনে মাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপিডিশনারি ফোর্স অনুসরণ করেছে। এই মেরিন ফোর্সে ২০০০-এরও বেশি মেরিনস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নভেম্বর শেষে ইরানের চারপাশে অবস্থান করবে তিনটি বিমানবাহী জাহাজ ও দুটি অ্যামফিবিয়াস ল্যান্ডিং গ্রুপ।
- 📌 পেন্টাগন জানায়, ৫০,০০০ মার্কিন সৈন্য ইতিমধ্যে অঞ্চলে অবস্থান করছে, যার মধ্যে রয়েছে এফ-৩৫ ফাইটার জেটস সহ অতিরিক্ত বিমান ও সৈন্য।
- 📌 রক্ষণাবেক্ষণকারী সেক্রেটারি পিট হেগসেথ বলেছেন, সৈন্যরা প্রস্তুত — “ready to go” — যদি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন আক্রমণ আদেশ দেন।
- 📌 ট্রাম্প ফক্স নিউজে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে যুদ্ধ জিতবে “very soon” — তবে মিডটার্ম ইলেকশনের আগে নতুন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 ইরান কাতারের মাধ্যমে একটি সপ্তাহের সময়সূচী প্রস্তাব করেছে, যেখানে তারা হরমুজ প্রণালী খুলবে ও নিউক্লিয়ার চুক্তি পুনরায় শুরু করবে — শর্তে মার্কিন নৌব্লকেডের অবসান, স্যানকশন হ্রাস ও লেবানন ও ইয়েমেনে স্থায়ী শান্তি।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড নেশনসের দূত মাইক ওয়াল্টজ জানান, ইরানের প্রস্তাবিত স্যানকশন হ্রাস বিচারযোগ্য নয় — কারণ এগুলো সার্বজনীন স্যানকশন এবং ইরানের নিউক্লিয়ার অস্ত্র প্রোগ্রামের বিরুদ্ধে সাতটি সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজোলিউশন রয়েছে।
- 📌 ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগ্চি বলেছেন, তেহরান যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার জন্য প্রস্তুত — কিন্তু একই সাথে টুইটে লিখেছেন, নিউ ইয়র্কে তারা যুদ্ধ বিক্রি করতে আসেনি, শান্তি গড়তে আসেন।
- 📌 অ্যানালিস্টদের মতে, এই দ্বন্দ্বের মূল বিষয় হয়ে উঠেছে কোন পক্ষ প্রথম লেভারেজ ত্যাগ করবে। মার্কিন প্রাক্তন দূত রিচার্ড শ্মিয়ারার বলেছেন, ট্রাম্প মিডটার্ম ইলেকশন অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন এবং জুনের চুক্তির মতো কনসেশনের রাজনৈতিক খরচ এড়াতে চান।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি, তারা অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। এই সপ্তাহে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ইরানের রেল ও অটোমোবাইল কংগ্লোমারেটগুলোর বিরুদ্ধে নতুন স্যানকশন জারি করেছে। ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের মতে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ইরানের অবশিষ্ট আয়ের বিলুপ্তি করা।
ইরানের ডিপ্লোমেসি পথেও দুই পায়ে দৌড়। তারা কাতারের মাধ্যমে একটি সপ্তাহের সময়সূচী প্রস্তাব করেছে, যেখানে তারা হরমুজ প্রণালী খুলবে এবং নিউক্লিয়ার চুক্তি পুনরায় শুরু করবে — শর্তে মার্কিন নৌব্লকেডের অবসান, স্যানকশন হ্রাস ও লেবানন ও ইয়েমেনে স্থায়ী শান্তি। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড নেশনসের দূত মাইক ওয়াল্টজ এনবিসি-কে বলেছেন, ইরানের প্রস্তাবিত স্যানকশন হ্রাস বিচারযোগ্য নয় — কারণ এগুলো সার্বজনীন স্যানকশন এবং ইরানের নিউক্লিয়ার অস্ত্র প্রোগ্রামের বিরুদ্ধে সাতটি সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজোলিউশন রয়েছে।
ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগ্চি এনবিসি-কে বলেছেন, তেহরান যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার জন্য প্রস্তুত। তবে একই সাথে তিনি টুইটে লিখেছেন, নিউ ইয়র্কে তারা যুদ্ধ বিক্রি করতে আসেনি, শান্তি গড়তে আসেন।
অ্যানালিস্টদের মতে, এই দ্বন্দ্বের মূল বিষয় হয়ে উঠেছে কোন পক্ষ প্রথম লেভারেজ ত্যাগ করবে। মার্কিন প্রাক্তন দূত রিচার্ড শ্মিয়ারার বলেছেন, ট্রাম্প মিডটার্ম ইলেকশন অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন এবং জুনের চুক্তির মতো কনসেশনের রাজনৈতিক খরচ এড়াতে চান।
মার্কিন সেক্রেটারি অব ডিফেন্স পিট হেগসেথ: “ready to go — যদি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন আক্রমণ আদেশ দেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প: “going to win the war with Iran very soon” — তবে মিডটার্ম ইলেকশনের আগে নতুন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সান ডিয়েগো (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, ইরান, কাতার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাইক ওয়াল্টজ, আব্বাস আরাগ্চি, পিট হেগসেথ, রিচার্ড শ্মিয়ারার, আবাস আসলানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০+ মেরিনস, ৩টি বিমানবাহী জাহাজ, ৫০,০০০ মার্কিন সৈন্য, ৭টি সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজোলিউশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!