📌 মার্কিন সরকার মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং ভারতীয় টেক জায়ান্টদের ভিসা প্রোগ্রাম থেকে নিষিদ্ধ করেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, কোম্পানিগুলো মার্কিন কর্মীদের চাকরি ছেড়ে বিদেশী শ্রমিকদের নিয়োগ করছে। এছাড়াও জে-১ ভিসা জালিয়াতির বিরুদ্ধে সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
মার্কিন সরকার মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং ভারতীয় টেক জায়ান্ট ইনফোসিস ও টাটা কনসাল্ট্যান্সি সার্ভিসেসসহ বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে ভিসা প্রোগ্রাম থেকে নিষিদ্ধ করেছে। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে বিদেশী শ্রমিকদের ভিসা জালিয়াতির অভিযোগের কারণে। মার্কিন সরকারের দাবি, কোম্পানিগুলো মার্কিন কর্মীদের চাকরি ছেড়ে বিদেশী শ্রমিকদের নিয়োগ করছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, মাইক্রোসফট ৬,০০০ মার্কিন কর্মী ছাড়াও ৬,৩০০ হ-১বি ভিসা এবং প্রায় ৩,০০০ গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে বিদেশী শ্রমিক নিয়োগ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন সরকার মাইক্রোসফট ও অ্যাডোবিকে ভিসা প্রোগ্রাম থেকে নিষিদ্ধ করেছে।
- 📌 ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, মাইক্রোসফট ৬,০০০ মার্কিন কর্মী ছাড়াও ৬,৩০০ হ-১বি ভিসা ও ৩,০০০ গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে বিদেশী শ্রমিক নিয়োগ করেছে।
- 📌 মার্কিন সরকার $২২ বিলিয়ন মূল্যের ভিসা জালিয়াতির অভিযোগ উন্মোচন করেছে।
- 📌 মাইক্রোসফটের শেয়ার ৭.৫% পতন হয়েছে, অ্যাডোবির শেয়ার ৪% বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 মিট, হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জে-১ ভিসা জালিয়াতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে মার্কিন কর্মীদের চাকরি নিশ্চিতকরণ এবং বিদেশী শ্রমিকদের ভিসা জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়াই। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের মতে, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলো মার্কিন কর্মীদের চাকরি ছেড়ে বিদেশী শ্রমিকদের নিয়োগ করছে। তিনি বলেছেন, “আমাদের বার্তা মাইক্রোসফটের জন্য: তোমরা একটি মহান মার্কিন কোম্পানি, কিন্তু তোমাদেরকে মহান মার্কিন কর্মীদের নিয়োগ করতে হবে।”
ভ্যান্স আরও বলেছেন, “আমেরিকান কর্মীদের চাকরি ছেড়ে বিদেশী শ্রমিকদের নিয়োগ করা যায় না। যখন কোনো বিদেশী শ্রমিক কোম্পানিতে চাকরি পায়, তখন তারা সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির অধীনস্থ হয়ে যায়। যদি তারা চাকরি হারায়, তাহলে তারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।”
২০২৬ সালে প্রযুক্তি খাতে মোট ১৩১,০০০ কর্মী ছাড়ানো হয়েছে, যা লে-ফাই-ফাই ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী। মার্কিন শ্রম মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং বলেছেন, “আজ আমরা কোনো ডলার মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যবান কিছু রক্ষা করছি। আমরা মার্কিন কর্মীদের রক্ষা করছি।”
এছাড়াও, মার্কিন সরকার জে-১ ভিসা জালিয়াতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। জে-১ ভিসা হলো শিক্ষা বা সাংস্কৃতিক কর্মসূচির জন্য বিদেশীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই ভিসা ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক পিএইচডি প্রার্থীদের বা গবেষকদের নিয়োগ করে। ভ্যান্সের দাবি, যখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মার্কিন গবেষকদের নিয়োগ দেয়, তখন তারা $২০,০০০ বেশি বেতন পায়, যেখানে জে-১ ভিসা ধারকরা $২০,০০০ কম পায়। তবে এই দাবির সমর্থনে কোনো ডেটা প্রদান করা হয়নি।
"আমাদের বার্তা মাইক্রোসফটের জন্য: তোমরা একটি মহান মার্কিন কোম্পানি, কিন্তু তোমাদেরকে মহান মার্কিন কর্মীদের নিয়োগ করতে হবে।"
"আমেরিকান কর্মীদের চাকরি ছেড়ে বিদেশী শ্রমিকদের নিয়োগ করা যায় না। যখন কোনো বিদেশী শ্রমিক কোম্পানিতে চাকরি পায়, তখন তারা সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির অধীনস্থ হয়ে যায়। যদি তারা চাকরি হারায়, তাহলে তারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, শ্রম মন্ত্রণালয় সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬,০০০ (মার্কিন কর্মী ছাড়ানো), ৬,৩০০ (হ-১বি ভিসা), ৩,০০০ (গ্রিন কার্ড), ১৩১,০০০ (২০২৬ সালে প্রযুক্তি খাতের কর্মী ছাড়ানো), ২২ বিলিয়ন ডলার (ভিসা জালিয়াতির মূল্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!