📌 মাদকবিরোধী অভিযানে ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে মার্কিন সেনাদের সরাসরি অংশগ্রহণে মেক্সিকো কার্টেলের সদস্য চার্লি ও তার দুই নিরাপত্তাকর্মী গুলি করে নিহত হন। মার্কিন বাহিনী ও ইকুয়েডর পুলিশ যৌথভাবে ৫০ জন মার্কিন সেনা ও ৩০০ জন পুলিশ সদস্যের নেতৃত্বে অভিযান চালায়
মাদকবিরোধী যুদ্ধে ইকুয়েডর সরকারের সাথে মার্কিন সেনাদের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে মেক্সিকো কার্টেলের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গুয়ায়াকিল শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় মার্কিন বাহিনী ও ইকুয়েডর পুলিশের যৌথ অভিযানে মেক্সিকোর জালিস্কো কার্টেলের সাথে যুক্ত একটি মাদক পাচারকারী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে গুলি চালানো হয়। এই অভিযানে মাদক সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত চার্লি নামের একজন স্থানীয় পাচারকারী ও তার দুই নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে নিহত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন সেনাদের সরাসরি অংশগ্রহণ: ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে ৫০ জন মার্কিন সেনা ও ৩০০ জন ইকুয়েডর পুলিশের যৌথ অভিযানে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গুলি চালানো হয়।
- 📌 মেক্সিকো কার্টেলের সদস্য নিহত: মেক্সিকোর জালিস্কো কার্টেলের সাথে যুক্ত চার্লি ও তার দুই নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। চার্লি ছিলেন ইকুয়েডরের ‘চোনোরোস’ গ্যাংয়ের সদস্য।
- 📌 মাদকবিরোধী যুদ্ধে নতুন পদক্ষেপ: ট্রাম্প প্রশাসনের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ লাতিন আমেরিকার মাদকবিরোধী যুদ্ধে একটি নতুন মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
- 📌 ইকুয়েডর কোকেনের প্রধান রুট: কলম্বিয়া ও পেরুর মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় ইকুয়েডর বর্তমানে কোকেন পাচারের অন্যতম প্রধান রুটে পরিণত হয়েছে।
- 📌 মার্কিন বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা: মার্কিন সেনাদের সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ঘটনা বিরল, কিন্তু ইকুয়েডরে এই পদক্ষেপকে স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের মতোই উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিল শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় মার্কিন সেনাদের সাথে ইকুয়েডর পুলিশের যৌথ অভিযানে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গুলি চালানো হয়। এই অভিযানে ৩০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, মার্কিন সেনারা কাঁধে মার্কিন পতাকার ব্যাজ পরিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রশিক্ষণ ছাড়াও সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন।
মেক্সিকোর জালিস্কো কার্টেলের সাথে যুক্ত একটি শক্তিশালী মাদক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ইকুয়েডরের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিয়ান কার্লো লোফ্রেডো এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, হয় কারাগার নয়তো জাহান্নাম; আর এই ব্যক্তি কারাগারে পৌঁছাতে পারেনি।’ ভিডিওতে রক্তে ভেজা রাস্তা ও গুলিবিদ্ধ ট্রাকের পাশে তিনটি মরদেহের ছবি প্রকাশ করা হয়।
ইকুয়েডর বর্তমানে কোকেন পাচারের অন্যতম প্রধান রুটে পরিণত হয়েছে। কলম্বিয়া ও পেরুর মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের হার মারাত্মকভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া বলেন, ‘কোনো একক রাষ্ট্র একা এমন শত্রুকে পরাস্ত করতে পারে না, যার কোনো সীমান্ত নেই।’
"আমরা বলেছিলাম, হয় কারাগার নয়তো জাহান্নাম; আর এই ব্যক্তি কারাগারে পৌঁছাতে পারেনি।"
— জিয়ান কার্লো লোফ্রেডো, ইকুয়েডরের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুয়ায়াকিল, ইকুয়েডর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চার্লি (মাদক পাচারকারী), জিয়ান কার্লো লোফ্রেডো (প্রতিরক্ষামন্ত্রী), দানিয়েল নোবোয়া (ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ জন মার্কিন সেনা, ৩০০ জন ইকুয়েডর পুলিশ, ৩০ জন আটক, ৩ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!