📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতে চলমান ছাত্র ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করে মন্তব্য করেছেন। তিনি জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের বিষয়টিকে রসিকতার ছলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতে চলমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করা হবে না। বর্তমানে ভারত সফরে থাকা রুবিও বুধবার (২১ অক্টোবর) মুম্বাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতে চলমান আন্দোলনকে ‘অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন
- 📌 তিনি জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের বিষয়টিকে ‘অর্থহীন’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমি তাদের রাজনীতিতে জড়াতে চাই না’
- 📌 রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিদিন নাগরিকদের বিক্ষোভ হয়, কিন্তু ইউরোপের মতো ভাঙচুর বা সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ সমর্থন করেন না
- 📌 জাতিসংঘের ২০ জনেরও বেশি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ ভারতে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
- 📌 বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মুম্বাইয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা হলো অর্থহীন এক সত্তা। এটি পুরোপুরি ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়। আমি তাদের রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং এখানে নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাই তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে আমার মন্তব্য করা সমীচীন নয়।’
রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিদিন নানা বিষয়ে নাগরিকেরা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রকাশ করে থাকেন। তবে ইউরোপের মতো ভাঙচুর, সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামার মতো ঘটনাকে সমর্থন করেন না। তিনি বলেন, ‘গঠনমূলক ভিন্নমতের বহিঃপ্রকাশ স্বাভাবিক, কিন্তু এ ধরনের অশান্তি সমর্থন করা আমাদের অবস্থান নয়।’
এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ২০ জনেরও বেশি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ এক যৌথ বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, ভারতে চলমান ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, লাঠিপেটা, বায়োমেট্রিক নজরদারি ও ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষোভ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যোগ্য ভোটারদের একটি বড় অংশ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। তারা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় দরিদ্র, গৃহহীন, মুসলিমসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মানুষ তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
"আমরা কোনো অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করব না। এটি ভারতের জনগণই নির্ধারণ করবে এবং সমাধান করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই (ভারত), জেনেভা (সুইজারল্যান্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী), জ্ঞানেশ কুমার (ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, ২০ অক্টোবর, ২০ জন বিশেষজ্ঞ, ১৩ কোটি নাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!