📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের উদ্বেগ প্রশমিত করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান ও চীন সম্পর্কের কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্য দিতে চায় না। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জরুরি এবং সম্ভাব্য সংঘাতকে নিরুৎসাহিত করতে সহায়তা করতে পারে
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের উদ্বেগ প্রশমিত করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মূল্য দিতে চায় না। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কখনোই ভারতের স্বার্থের বিনিময়ে হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের সম্পর্কের কারণে ভারতের উদ্বেগ নিরসন নিশ্চিত হয়েছে
- 📌 তিনি বলেন, ‘১৯৭০-এর দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের তুলনায় বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা’
- 📌 রুবিও জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জরুরি এবং সম্ভাব্য সংঘাতকে নিরুৎসাহিত করতে সহায়তা করতে পারে
- 📌 তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান এমন একটি দেশ যার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকা জরুরি’
- 📌 ইউক্রেন যুদ্ধের জটিলতা স্বীকার করে রুবিও বলেন, ‘এই যুদ্ধের সমাধান সহজ নয়’
📰 বিস্তারিত
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত সফরে থাকাকালীন দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের সম্পর্কের কারণে ভারতের উদ্বেগ প্রশমিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি উদাহরণ হিসেবে ১৯৭০-এর দশককে টানব না, কারণ বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে সেই সময়ের কোনো মিল নেই। সে সময় আমাদের কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধসহ নানা সমীকরণ ছিল, যা এখন আর অস্তিত্বে নেই।’
রুবিও বলেন, ‘বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক থাকুক না কেন, তা কোনোভাবেই ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের মূল্যে বা ক্ষতির বিনিময়ে হবে না... ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা এমন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আমার এই সফর, বাণিজ্য চুক্তি করার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি, আমাদের যৌথ কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং একসঙ্গে করা যাবতীয় কাজই এর বড় প্রমাণ।’
রুবিও জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের যোগাযোগের ফলে এমন একটি অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা ভারতকে উদ্বিগ্ন করে—এমন পদক্ষেপগুলোকে ‘নিরুৎসাহিত’ করতে সহায়তা করতে পারে। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে এবং সম্পর্ক রাখাটা জরুরি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা যদি ইতিবাচক উপায়ে আমাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে এমন কোনো পদক্ষেপ নিরুৎসাহিত করতে পারি যা সম্ভাব্য সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে, তবে তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।’
বিশেষভাবে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেনে রাশিয়ার চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের জটিলতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো বেশ জটিল এবং এটি যদি সমাধান করা সহজ কোনো যুদ্ধ হতো, তবে অনেক আগেই এর সমাধান হয়ে যেত।’
“আমি উদাহরণ হিসেবে ১৯৭০-এর দশককে টানব না, কারণ বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে সেই সময়ের কোনো মিল নেই। সে সময় আমাদের কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধসহ নানা সমীকরণ ছিল, যা এখন আর অস্তিত্বে নেই।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভারত), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর (ইউক্রেন যুদ্ধের সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!