📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে গোপনে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আলোচনা হয়, কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি। ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে গোপনে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন থাকা একটি বিমানঘাঁটিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ওভদা বিমানঘাঁটিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান মোতায়েন থাকায় এই বৈঠক বিশেষ মনোযোগ পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনে বৈঠক করেন ওভদা বিমানঘাঁটিতে, যেখানে মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।
- 📌 বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আলোচনা হয়, তবে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানান এবং বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
- 📌 নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে আরেকটি বড় সামরিক হামলা চালাবেন না।
- 📌 ট্রাম্পও বলেছেন, ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবেন না।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত সোমবার দক্ষিণ ইসরাইলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে গোপনে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। এই বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের আলোচনা হয় বলে তিন ইসরাইলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে বৈঠকের বিস্তারিত বা কোনো সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সরকার।
ওভদা বিমানঘাঁটিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান মোতায়েন থাকায় এই বৈঠক বিশেষ মনোযোগ পেয়েছে। দীর্ঘপাল্লার সামরিক অভিযানে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ফলে যুদ্ধবিমান দীর্ঘ সময় উড়তে এবং দূরের লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালাতে পারে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারের পরিবর্তে একটি ব্যক্তিগত বিমানে ওভদা বিমানঘাঁটিতে যান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানান এবং বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে সরে আসার অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে তিনি আরেকটি বড় ধরনের হামলা চালাতে চান না। ট্রাম্পও বলেছেন, ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানে হামলা চালাবেন না।
বৈঠকের উদ্দেশ্য ও ফলাফল সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য না আসা পর্যন্ত ইরানে নতুন হামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে এই বৈঠক এবং নেতানিয়াহুর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার ফলে নতুন সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
"ডোনাল্ড, আমাদের একটি কাজ শেষ করতে হবে। আপনি এ কথা বলেছেন, আর আমরা একসঙ্গে তা শেষ করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওভদা বিমানঘাঁটি, দক্ষিণ ইসরাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিট হেগসেথ (যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী), বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী), ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (ইসরাইলের নির্বাচন), ৩ নভেম্বর (মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!