📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আবদুলায়ে সেয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও আদালতটির জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আবদুলায়ে সেয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেন। আইসিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক বিরোধিতার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আবদুলায়ে সেয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই ঘোষণা দেন
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্বাহী আদেশের অধীনে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে
- 📌 নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও আদালতটির জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আবদুলায়ে সেয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেন। আইসিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ধারাবাহিক বিরোধিতার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে জানান, আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালতটির ‘সিনিয়র ট্রায়াল লয়ার’ আবদুলায়ে সেয়ের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের অধীনে আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। যেসব দেশ আইসিসির এখতিয়ারে সম্মতি দেয়নি, সেসব দেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রচেষ্টায় এই ব্যক্তিরা সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে আইসিসি এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক আইনের শাসনকে ক্ষুণ্ন করে। আইসিসি আরও জানায়, ‘আইন প্রয়োগের কারণে বিচারিক কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা হুমকির সম্মুখীন হলে আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।’
আবদুলায়ে সেয়ে আইসিসির সেই কৌঁসুলি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য, যাঁরা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি আইসিসির বিচারক হিসেবে নির্বাচনের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন।
নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁদের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ গতকাল একটি সাধারণ লাইসেন্স ইস্যু করেছে। এর আওতায় তোমোকো আকানে এবং আবদুলায়ে সেয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনগুলো গুটিয়ে নিতে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
‘যেসব দেশের সরকার আইসিসির এখতিয়ারে সম্মতি দেয়নি, সেসব দেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, গ্রেপ্তার, আটক কিংবা তাঁদের বিচারের আওতায় আনার প্রচেষ্টায় এই ব্যক্তিরা সরাসরি জড়িত।’ — মার্কো রুবিও, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কো রুবিও, তোমোকো আকানে, আবদুলায়ে সেয়ে, নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!