📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউরোপকে তাদের জরুরি ডিজেল রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় মার্কিন ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইউরোপের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ইউরোপকে তাদের জরুরি ডিজেল রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছে। এই পদক্ষেপের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানি দাম কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রশাসন ইউরোপকে ১২০ মিলিয়ন ব্যারেল ডিজেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে, অন্যথায় মার্কিন ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দিয়েছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইউরোপের সাথে একযোগে কাজ করাই তাদের নিজস্ব স্বার্থের জন্য সবচেয়ে অনুকূল হবে।
- 📌 ইউরোপীয় কমিশন ও ২৭টি দেশের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে রিজার্ভ ছাড়ার বিষয়টি বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
- 📌 ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে ইউরোপ মার্কিন জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
- 📌 মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেছেন, ইউরোপের কাছে রিজার্ভ রয়েছে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে তা উন্মুক্ত করলে বাজারের চাপ কমানো সম্ভব।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে জার্মানি ও ফ্রান্সকে তাদের জরুরি ডিজেল মজুত উন্মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। এই নির্দেশ অমান্য করলে মার্কিন ডিজেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বাজারে জ্বালানির দাম কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘পণ্য সরবরাহ বাড়ানো এবং গ্রাহকদের জন্য খরচ কমানোর লক্ষে আমরা একাধিক উপায় খুঁজছি। এমন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের একযোগে কাজ করাই তাদের নিজস্ব স্বার্থের জন্য সবচেয়ে অনুকূল হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে ইউরোপীয় কমিশন এবং ইইউভুক্ত ২৭টি দেশ বড় ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছে। একদিকে ঘরোয়া বাজারে ডিজেলের দাম কমানোর চাপ, অন্যদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের কারণে ইউরোপে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
জার্মানির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে চাপ থাকলেও ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এখনো জার্মানিকে তাদের নিজস্ব রিজার্ভ ছাড়ার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দেশ দেয়নি।
"আন্তর্জাতিক বাজারে আরও ডিজেল সরবরাহ করার জন্য এখনই উপযুক্ত সময় এবং সেই রিজার্ভ ইউরোপের কাছে রয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে ডিজেল মজুত উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়ে তারা বাজারের চাপ কমাতে পারে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।"
— মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন), ইউরোপ (ফ্রান্স, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ক্রিস রাইট (মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী), ইউরোপীয় কমিশনের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ মিলিয়ন ব্যারেল ডিজেল, ২৭টি দেশ, ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!