📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ‘সকল বোমার জননী’ বোমা ব্যবহার করা হতে পারে, যা ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় নতুন ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এবার ‘সকল বোমার জননী’ নামের সবচেয়ে শক্তিশালী অপারমাণবিক বোমা ব্যবহার করা হতে পারে। তবে এই বোমা ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম কিনা তা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা করছে, যার লক্ষ্য নাতাঞ্জের পিক্যাক্স মাউন্টেনে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা
- 📌 প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘সকল বোমার জননী’ বোমা (জিবিইউ-৪৩/বি) ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করছে, যা বিশাল এলাকাজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে
- 📌 মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই বোমা গ্রানাইটের পুরু স্তরের নিচে অবস্থিত স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো এই বোমা ব্যবহার করেছিল, কিন্তু বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে
- 📌 ওয়াশিংটন ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমঝোতা করতে চাইছে, বিশেষত হরমুজ প্রণালী আবারো খুলে দেওয়ার জন্য
📰 বিস্তারিত
মার্কিন নিউজ চ্যানেল সিএনএন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে নতুন ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে। বিশেষত ইরানের নাতাঞ্জের কাছে অবস্থিত পিক্যাক্স মাউন্টেনে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি হামলার লক্ষ্য হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সন্দেহ, সেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উপাদান মজুত রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবার ‘সকল বোমার জননী’ বোমা (জিবিইউ-৪৩/বি) ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করছে। এই বোমাটি বিশাল এলাকাজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই বোমা গ্রানাইটের পুরু স্তরের নিচে থাকা স্থাপনা ধ্বংস করার মতো গভীরে প্রবেশ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে প্রথমবারের মতো এই বোমাটি ব্যবহার করেছিল। তবে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্পের প্রশাসন এমন সামরিক পদক্ষেপের কথাও ভাবছে, যার পর যুদ্ধ শেষ হয়েছে ঘোষণা দিয়ে মার্কিন সেনা ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। তবে ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়ে তেহরানকে কূটনৈতিক সমঝোতায় বাধ্য করা যাবে কি না, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
"যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সন্দেহ, সেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উপাদান মজুত রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরানের নাতাঞ্জের, পিক্যাক্স মাউন্টেন, আফগানিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ (জিবিইউ-৪৩/বি বোমা), ২০১৭ (আফগানিস্তানে প্রথম ব্যবহার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!