📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বাংলাদেশি মালিকানাধীন পিৎজা দোকানে গুলি চালিয়ে এক বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. রাজু (৪৪)। আরেক বাংলাদেশি রাসেল (৩৯) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার তদন্ত চলছে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনে অবস্থিত বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি পিৎজা দোকানে গুলি চালিয়ে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. রাজু (৪৪)। একই ঘটনায় রাসেল নামের আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে ব্রুকলিন হেলথ-ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের বাংলাদেশি মালিকানাধীন পিৎজা দোকানে গুলিতে মো. রাজু (৪৪) নিহত হন
- 📌 রাসেল (৩৯) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রিসিংক্ট ৭৩ এলাকার রকঅ্যাওয়ে অ্যাভিনিউর দোকানে
- 📌 রাজুর বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামে
- 📌 ঘটনায় জড়িত বন্দুকধারীকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউইয়র্ক শহরের ব্রুকলিনের প্রিসিংক্ট ৭৩ এলাকার রকঅ্যাওয়ে অ্যাভিনিউর আমেরিকান বেস্ট উইংস অ্যান্ড পিৎজা নামে পরিচিত বাংলাদেশি মালিকানাধীন পিৎজা দোকানে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় দোকানে কর্মরত ছিলেন রাজু ও রাসেল। এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি দোকানে প্রবেশ করে সরাসরি রাসেলকে গুলি করেন। রাসেলের ঊরুতে গুলি লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ওই ব্যক্তি রাজুকেও গুলি করেন, যার ফলে রাজুর বুকে গুলি লাগে।
ঘটনার পর পুলিশের একটি দল ১২টা ১ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে উদ্ধার করে। তাদের ব্রুকলিন হেলথ-ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে রাজুর মৃত্যু হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঘোষণা করেন। রাসেল এখনো গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন।
রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি দোকানে ঢুকে কোনো কথা না বলে সরাসরি আমাকে গুলি করে। আমার ঊরুতে গুলি লাগলে মাটিতে পড়ে যাই। পরে সে রাজুকেও গুলি করে, যার ফলে তার বুকে গুলি লাগে।’
দোকানের মালিক আবদুল জলিল বলেন, ‘রাজু আমার বন্ধু। আমার দোকানটি তিনি নিজের মতো করে পরিচালনা করতেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামে। রাজুর স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তান দেশে থাকেন।’ তিনি আরও জানান, রাজু তিন বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন এবং তাঁর এখানে কোনো আত্মীয়স্বজন নেই।
"তিন বছর আগে রাজু যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। এখানে তাঁর কোনো আত্মীয়স্বজন নেই। মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সোসাইটিসহ অন্য সমিতিগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা আশা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাজু (৪৪), মোহাম্মদ রাসেল (৩৯), আবদুল জলিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ বছর, ৩৯ বছর, প্রিসিংক্ট ৭৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!