📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ইরানে তিন দিনের তীব্র সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি করেছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো অনুমোদন দিতে দ্বিধায় রয়েছেন। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত, ড্রোন বেস এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্য করে এই হামলা পরিকল্পিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইরানে তিন দিনের তীব্র সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই হামলার অনুমোদন দিতে দ্বিধায় রয়েছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই পরিকল্পনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত, জ্বালানি স্থাপনা এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদর দপ্তর ও কমান্ড পোস্টকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেন্টাগন ইরানে **তিন দিনের** তীব্র সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি করেছে
- 📌 ট্রাম্প **মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে** ইরানে হামলা চালাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 **ক্যাম্প ডেভিডে** জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন
- 📌 ইরান **১৩টি জাহাজে** হামলা চালিয়েছে, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো বড় অভিযান চালায়নি
- 📌 ইরানের উন্নত আক্রমণ কৌশল মার্কিন বাহিনীর **প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র** ব্যবহার বাড়িয়েছে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানে কোনো সামরিক হামলা চালাবেন না। তিনি দাবি করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান বা ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি বড় অভিযানের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে। অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওই অঞ্চলে তিনটি বিমানবাহী রণতরী একত্রিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু একটি রণতরী পরে জাপানে ফিরে যাওয়ায় এই শক্তিবৃদ্ধি সাময়িক হয়ে পড়েছে। ইরানের উন্নত আক্রমণ কৌশল মার্কিন বাহিনীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে আগের চেয়ে বেশি প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুতের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
ব্রিটিশ নৌবাহিনীর পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাস থেকে অন্তত ১৩টি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলার জবাবে কোনো বড় অভিযান চালায়নি। কূটনৈতিক আলোচনা চললেও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত রয়েছে। ওয়াশিংটন আগে নিষ্পত্তি করতে চায়, আর তেহরান চায় শেষে আলোচনা হোক। ফলে নির্বাচনের পরও ট্রাম্প হামলার অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
"মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমি ইরানে হামলা চালাবেন না। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ক্যাম্প ডেভিড (ইসরায়েল), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), জেডি ভ্যান্স (মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন, ১৩টি জাহাজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!