📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিয়ানমারের জান্তা-শাসিত সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আলোচনা: টোকিওতে আবার বৈঠক, বিরল খনিজ ও প্রতারণা কেন্দ্রের বিষয় আলোচিত

মিয়ানমারের জান্তা-শাসিত সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আলোচনা: টোকিওতে আবার বৈঠক, বিরল খনিজ ও প্রতারণা কেন্দ্রের বিষয় আলোচিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিয়ানমারের সামরিক শাসিত সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জাপানের টোকিওতে গোপন বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে বিরল খনিজ সম্পদের প্রবেশাধিকার ও মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে চলা প্রতারণা কেন্দ্র বন্ধের বিষয় আলোচিত হয়। এটি ছিল এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক

মিয়ানমারের সামরিক শাসিত সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে জাপানের টোকিওতে গোপন বৈঠক করেছেন। এটি ছিল এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেছিল, কিন্তু সাম্প্রতিককালে আবার যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানান তিনজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে একজন মার্কিন কর্মকর্তাও রয়েছেন। তবে বৈঠকের সংবেদনশীলতার কারণে তাঁরা পরিচয় প্রকাশ করেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টোকিওতে মিয়ানমারের জান্তা-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গোপন বৈঠক করেছেন। এটি ছিল এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক।
  • 📌 মাইকেল ভ্যান্স (যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী) নেতৃত্ব দিয়েছেন বৈঠকে। মার্কিন পক্ষের ১২ জনের বেশি কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন।
  • 📌 বৈঠকে আলোচিত হয়েছে বিরল খনিজ সম্পদ ও মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে চলা প্রতারণা কেন্দ্র বন্ধের বিষয়।
  • 📌 মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা বলেছেন, তারা বহুজাতিক উদ্যোগে প্রতারণা কেন্দ্র দমনে অংশ নিচ্ছেন। তবে এসব কেন্দ্রের অর্থের একটি অংশ সামরিক বাহিনীর কাছে যায় বলে জানা যায়।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, মিয়ানমারের বিরল খনিজের বড় অংশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, চীন মিয়ানমারের বিরল খনিজের প্রধান ক্রেতা।
  • 📌 অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান লোই ইনস্টিটিউটের পরিচালক হান্টার মার্সটন বলেছেন, মিয়ানমারের খনিজ সম্পদ সম্ভবত ওয়াশিংটনের আগ্রহের প্রধান কৌশলগত সম্পদ।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে সহায়তার অভিযোগ থাকা এক ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারের সামরিক শাসিত সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে জাপানের টোকিওতে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠক ছিল এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেছিল, কিন্তু সাম্প্রতিককালে আবার যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানান তিনজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে একজন মার্কিন কর্মকর্তাও রয়েছেন। তবে বৈঠকের সংবেদনশীলতার কারণে তাঁরা পরিচয় প্রকাশ করেননি।

গত সেপ্টেম্বরে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে একই ধরনের বৈঠক হয়েছিল। সেখানে মার্কিন ব্যবসায়ীর মুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লক্ষ্য করে চলা ‘স্ক্যাম সেন্টার’ বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল। ওই বৈঠকের পরে মিয়ানমারের বিরল খনিজ সম্পদসহ আরও বিস্তৃত বিষয়ে আলোচনার পথ তৈরি হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।

টোকিও বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স। বৈঠকে ১২ জনের বেশি মার্কিন কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। তবে মিয়ানমারের পক্ষের অংশগ্রহণকারীদের নাম জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে মিয়ানমারের সব পক্ষের সঙ্গে তারা যোগাযোগ রাখে।

মিয়ানমারের সামরিক শাসকদের সঙ্গে আলোচনার সময়, মার্কিন কর্মকর্তারা মিয়ানমারের বিরল খনিজ সম্পদের প্রবেশাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই খনিজ বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে শুরু করে বায়ু বিদ্যুৎ টারবাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, মিয়ানমারের এসব খনিজের বড় অংশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, চীন মিয়ানমারের বিরল খনিজের প্রধান ক্রেতা। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বেইজিং আপত্তি তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান লোই ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক পরিচালক হান্টার মার্সটন বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মিয়ানমারকে ‘পুরোপুরি লেনদেনভিত্তিক দৃষ্টিতে’ দেখছেন। তিনি আরও বলেছেন, মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল খনিজ সম্ভবত দেশটিতে ওয়াশিংটনের আগ্রহের প্রধান কৌশলগত সম্পদ।

যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে সহায়তার অভিযোগ থাকা এক ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এটি মিয়ানমার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গির অংশ।

"মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল খনিজ সম্ভবত দেশটিতে ওয়াশিংটনের আগ্রহের প্রধান কৌশলগত সম্পদ।"

হান্টার মার্সটন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক পরিচালক, লোই ইনস্টিটিউট

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টোকিও (জাপান), নেপিডো (মিয়ানমার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল ভ্যান্স (যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী), হান্টার মার্সটন (লোই ইনস্টিটিউট পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন (মার্কিন কর্মকর্তা), ২০২১ (সামরিক অভ্যুত্থান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖