📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'মা সব বোমা' (MOAB) ইরানের শক্তি ও ন্যুক্লিয়ার সাইটে আঘাত হানতে পারে যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ ঘোষণা করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বোমার ক্ষমতা সীমিত এবং গভীর ভবন বা আন্ডারগ্রাউন্ড টার্গেটে কার্যকর হতে পারে না
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ অণু-বোমা ‘মা সব বোমা’ (MOAB) ইরানের শক্তি অবকাঠামো ও ন্যুক্লিয়ার সাইটে আঘাত হানতে পারে, যদি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ পুনরায় শুরু করেন। মার্কিন সরকারের সূত্রে জানা গেছে, এই বোমা ব্যবহার করলে বর্তমান সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বোমার কার্যকারিতা সন্দেহজনক এবং এটি ইরানের গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড ন্যুক্লিয়ার সাইটগুলো ধ্বংস করতে পারবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘মা সব বোমা’ (MOAB) ইরানের শক্তি অবকাঠামো ও ন্যুক্লিয়ার সাইটে আঘাত হানতে পারে, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- 📌 এই বোমার ওজন ৯,৮০০ কেজি (৪টি স্যালুন কারের সমান) এবং দৈর্ঘ্য ৯ মিটার (৩০ ফুট)।
- 📌 ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে ‘ইসলামিক স্টেট-খোরাসান’ (ISKP) এর গুহা ও টানেলে এই বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল, যেখানে ৯৪ জন জিহাদি নিহত হয়েছিলেন।
- 📌 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, MOAB গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড সাইটগুলো ধ্বংস করতে পারবে না এবং এটি ‘রাজনৈতিক নাটক’-এর মতো হতে পারে।
- 📌 ইরানের ন্যুক্লিয়ার সাইটগুলো যেমন ফোর্ডো কমপ্লেক্স ও পিক্যাক্স মাউন্টেন গভীরভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘মা সব বোমা’ (MOAB) বা GBU-43/B Massive Ordnance Air Blast Bomb ইরানের শক্তি অবকাঠামো ও ন্যুক্লিয়ার সাইটে আঘাত হানতে পারে, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ পুনরায় শুরু করেন। মার্কিন সরকারের সূত্রে জানা গেছে, এই বোমা ব্যবহার করলে বর্তমান সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বোমার কার্যকারিতা সন্দেহজনক এবং এটি ইরানের গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড ন্যুক্লিয়ার সাইটগুলো ধ্বংস করতে পারবে না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ অণু-বোমা ‘মা সব বোমা’ (MOAB) এর ওজন ৯,৮০০ কেজি (১৮,০০০ পাউন্ড) এবং দৈর্ঘ্য ৯ মিটার (৩০ ফুট)। এটি একটি লকহিড মার্টিন C-130 হারকিউলিস বিমান থেকে ছুড়ে দেওয়া হয়। এই বোমা প্রথম ২০০২-২০০৩ সালে তৈরি করা হয়েছিল এবং এ পর্যন্ত ১২টি পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ করা হয়েছে। এর নামকরণ করা হয়েছে ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেইনের ১৯৯১ সালের গলফ যুদ্ধে ‘মা সব যুদ্ধ’ (mother of all battles) বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে।
২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে ‘ইসলামিক স্টেট-খোরাসান’ (ISKP) এর গুহা ও টানেলে এই বোমা ব্যবহার করেছিল। আফগান সরকারের দাবি, এই আক্রমণে ৯৪ জন জিহাদি নিহত হয়েছিল। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু বেসামরিক বাড়িও ধ্বংস হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, MOAB এর বিস্ফোরণে ১ কিলোমিটার (০.৬ মাইল) ব্যাসের এলাকায় সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড সাইটগুলো ধ্বংস করতে এটি কার্যকর হবে না। ইরানের ন্যুক্লিয়ার সাইটগুলো যেমন ফোর্ডো কমপ্লেক্স ও পিক্যাক্স মাউন্টেন গভীরভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
"MOAB ব্যবহার করলে তা ইরানের গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড ন্যুক্লিয়ার সাইটগুলো ধ্বংস করতে পারবে না। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক নাটক (political theatre) এর মতো হবে।"
ব্রুসেলস ভিত্তিক সামরিক বিশেষজ্ঞ ইলিয়াহ মাগনিয়ার বলেছেন, MOAB এর ক্ষমতা নির্ভর করে এলাকার ভূমিরূপ ও জনবসতির উপর। তিনি আরও বলেছেন, এটি গভীর আন্ডারগ্রাউন্ড টার্গেটে কার্যকর হবে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (শক্তি অবকাঠামো ও ন্যুক্লিয়ার সাইট), আফগানিস্তান (২০১৭ সালের আক্রমণ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট), ইলিয়াহ মাগনিয়ার (বিশেষজ্ঞ), নিদাল আবু জেইদ (কলোনেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯,৮০০ কেজি (MOAB এর ওজন), ৯ মিটার (MOAB এর দৈর্ঘ্য), ১ কিলোমিটার (বিস্ফোরণে ধ্বংসের ব্যাস), ৯৪ জন (আফগানিস্তানে নিহত জিহাদি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!