📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী নভেম্বর মাসে ইরানে নতুন করে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হতে পারে। তবে ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে নতুন যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী নভেম্বর মাসে ইরানে নতুন করে ব্যাপক সামরিক হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই হামলার কৌশলগত পরিকল্পনা এগিয়ে চলেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিবর্গ দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন যে, সামরিক মহড়া বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে এবং ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়িয়ে কৌশল অনুশীলন করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নভেম্বর মাসে ইরানে নতুন হামলা**: মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে।
- 📌 **প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বৈঠক**: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে নতুন হামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
- 📌 **ইরানের পাল্টা হামলার হুমকি**: ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলা চালালে তারা বাণিজ্যিক জাহাজ, তথ্যকেন্দ্র, ইন্টারনেট কেবলসহ আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলা চালাবে।
- 📌 **ইসরায়েলের নির্বাচনের প্রভাব**: ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে নতুন যুদ্ধের পরিকল্পনায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। নেতানিয়াহু নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- 📌 **অর্থনৈতিক চাপের সম্ভাবনা**: মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, তিন দিনের তীব্র সামরিক অভিযান ইরানের অর্থনীতিকে চরম সংকটে ফেলতে পারে, যা আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পারে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই পরিকল্পনা এগিয়ে চলেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামরিক মহড়া বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে এবং ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়িয়ে কৌশল অনুশীলন করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই সপ্তাহে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে নতুন হামলার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভান্ডারকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলা চালালে তারা বাণিজ্যিক জাহাজ, তথ্যকেন্দ্র, ইন্টারনেট কেবলসহ আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলা চালাবে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার বিষয়ে ইরানি আলোচকরা কোনো ছাড় দিতে রাজি হননি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের নির্বাচন নতুন যুদ্ধের পরিকল্পনায় জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে নেতানিয়াহু নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে অবস্থায় নতুন করে যুদ্ধ শুরু করা কঠিন হবে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, তিন দিনের তীব্র সামরিক অভিযান ইরানের অর্থনীতিকে চরম সংকটে ফেলতে পারে, যা আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পারে।
“যুদ্ধের এই পর্যায়ে এসে বিষয়টি স্পষ্ট যে, এখন পর্যন্ত পরিচালিত প্রচলিত সামরিক অভিযান, বর্তমানের কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মার্কিন নৌ অবরোধ কোনোটিই ইরানি সরকারকে অর্থবহভাবে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।”
— ডানা স্ট্রুল, ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরান, ইরাক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পিট হেগসেথ, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডানা স্ট্রুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (ইসরায়েলের নির্বাচন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!