📌 যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইরান ইস্যুতে চীন সরব হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন পদক্ষেপকে অবৈধ দাবি করে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইরান ইস্যুতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন পদক্ষেপকে ‘অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা’ হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছে, নিজেদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তারা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ দাবি করেছে চীন
- 📌 চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোয় পরিচালিত ইরান-চীন সহযোগিতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়
- 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেন
- 📌 চীন বর্তমানে ইরানি তেলের বৃহত্তম ক্রেতা, দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয় চীনে
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের বৈঠক আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হবে
📰 বিস্তারিত
২৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইরান ইস্যুতে সরব হয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, চীন ও ইরানের মধ্যে বৈধ বাণিজ্য ও সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোয় পরিচালিত হয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দেশের বৈধ বাণিজ্যে হস্তক্ষেপ বা বাধা দেওয়া উচিত নয়।
এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরান এবং দেশটির সঙ্গে আর্থিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইরানের সঙ্গে আর্থিক অংশীদারত্ব বজায় রাখা যে কোনো দেশ, ব্যাংক বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
চীন বর্তমানে ইরানি তেলের বৃহত্তম ক্রেতা। যদিও মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানি তেল রপ্তানি কিছুটা কমেছে, তবে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এখনো চীনে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে ইরানের জ্বালানি রপ্তানিতে নতুন পদক্ষেপের প্রভাব সীমিত হতে পারে।
এদিকে আগামী মাসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই উত্তেজনা দুই দেশের আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
"চীন ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা সবসময় আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হয়েছে। এই ধরনের বৈধ বাণিজ্য ও সহযোগিতায় কোনো দেশের হস্তক্ষেপ বা বাধা দেওয়া উচিত নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, বেইজিং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিন জিয়ান, স্কট বেসেন্ট, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ (নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রতিষ্ঠান), ৯০ (শতাংশ তেল রপ্তানি চীনে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!