📌 ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি কমলেও আজ মঙ্গলবার তা সামান্য স্থিতিশীল রয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা ও ইরানের পাল্টা হুমকির মধ্যেই তেলবাজারে এই ওঠানামা চলছে
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ১৬ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম এক সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ দশমিক শূন্য দুই ডলার হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার পর গতকাল তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি কমেছিল
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ৯ সেন্ট বা দশমিক ১ শতাংশ
- 📌 ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়
- 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন
- 📌 মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেননি
- 📌 ওমান উপকূলে অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার অচল হয়ে পড়ে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত গত সপ্তাহে ৩৭ লাখ ব্যারেল কমেছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ১৬ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম এক সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ দশমিক শূন্য দুই ডলার হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করছেন।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনবে। তিনি বলেন, যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে, তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তা না হলে ডলারভিত্তিক বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে তারা। তবে কোন কোন দেশের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে বা তা কবে থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গতকাল বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র নাকচ করছে না। তবে এখন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির পথে আছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
কেসিএমের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, সামরিক পদক্ষেপের তুলনায় অর্থনৈতিক চাপ কম ঝুঁকিপূর্ণ, বাজার এমনটাই বিবেচনা করছে। সে কারণেই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিবর্তে বরং কমেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা ইরানের এখনো আছে। ফলে তেলের দামে কিছুটা ঝুঁকি প্রিমিয়াম থেকেই যাচ্ছে।
"যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে, তাদের ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তা না হলে ডলারভিত্তিক বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্ববাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্কট বেসেন্ট, পিট হেগসেথ, টিম ওয়াটারার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ শতাংশ, ৯ সেন্ট, ৯২ দশমিক ১৬ ডলার, ৮৫ দশমিক শূন্য ২ ডলার, ৩৭ লাখ ব্যারেল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!