📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি আলোচনা ও সৌদি আরবে হুতিদের হামলার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২% কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৩২ ডলারে নেমে এসেছে, তবে হরমুজ প্রণালির সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা বজায় রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং সৌদি আরবে হুতিদের হামলার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম শুক্রবার প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। তবে হরমুজ প্রণালির সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৩২ ডলারে নেমে এসেছে (২.১ শতাংশ কম)
- 📌 ডব্লিউটিআই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২.৪১ ডলারে (২.৩ শতাংশ কম)
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা নিউইয়র্কে যুদ্ধবিরতি আলোচনা করছেন
- 📌 হুতিদের সৌদি আরব হামলা তেল সরবরাহে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে
- 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে সপ্তাহে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনার আভাসে বিশ্ববাজারে তেলের দাম শুক্রবার ২ শতাংশ কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪.৩২ ডলারে নেমে এসেছে, যা ২.১ শতাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২.৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২.৩ শতাংশ কম। তবে সৌদি আরবে হুতিদের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে।
নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা যুদ্ধবিরতি আলোচনা করছেন। আলোচনার সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিতে পারে এবং মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো ছাড় দেবে না।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল রপ্তানিতে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার আলোচনা বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মার্কিন শোধনাগারগুলো ডিজেল রপ্তানি না করলে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ কমাতে পারে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পেট্রোলের ভবিষ্যৎ দামের সূচকও প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে।
সৌদি আরবে হুতিদের হামলা তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বাজার। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সপ্তাহে প্রায় ৩ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় একই পর্যায়ে রয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো।
"হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করলেও নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো ছাড় দেবে না তেহরান"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), হরমুজ প্রণালি, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা, ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, হুতিদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪.৩২ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ৯২.৪১ ডলার (ডব্লিউটিআই), ৩ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেল (হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!