📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কানাডার প্রায় দুই হাজার কোটি ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সমপরিমাণ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে
ওয়াশিংটন ডিসিতে তিন দিন ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাণিজ্য আলোচনা শেষে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে না পারায় কানাডার প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেও আলোচকরা চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কর্মকর্তারা জানান, কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় দুই হাজার কোটি ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে
- 📌 আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার কানাডাকে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য দায়ী করেন
- 📌 নতুন শুল্কের ফলে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া মোট পণ্যের প্রায় ৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে না পারায় ওয়াশিংটন কানাডার বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেও আলোচকরা চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কর্মকর্তারা জানান, কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক বিবৃতিতে নতুন শুল্কের সমপরিমাণ শুল্ক কানাডাও আরোপ করবে বলে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বের সেরা বাণিজ্য চুক্তি নিশ্চিত করতে কানাডা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করেছে। তবে কানাডার জনগণের জন্য লক্ষ্য পূরণে সেই অগ্রগতি যথেষ্ট নয়। কার্নি আরও জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শ্রমিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা দিতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই পরিস্থিতির জন্য কানাডাকে দায়ী করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কানাডা তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আলোচনার শুরুতে উভয় পক্ষ যে শর্তে সম্মত হয়েছিল, তার ভিত্তিতে চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে কানাডা রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কানাডাকে সবচেয়ে অনুকূল বাণিজ্যসুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কানাডা নতুন নতুন দাবি তোলায় এবং আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসায় আলোচনা ভেস্তে যায়।
"এ সপ্তাহের শুরুতে যেসব শর্তে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছিল, সেগুলোর ভিত্তিতে বাণিজ্য চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে কানাডা রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে কানাডাকে সবচেয়ে অনুকূল বাণিজ্যসুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কানাডা নতুন নতুন দাবি তোলায় এবং আগে দেওয়া কিছু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসায় গত কয়েক দিনে যে সূক্ষ্ম সমঝোতা তৈরি হয়েছিল, তা ভেস্তে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক কার্নি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেমিসন গ্রিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ২ হাজার কোটি ডলার, ৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!