📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আমেরিকার আইসিসি বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রতিবাদে ইউরোপ, কানাডা, জাপান ও ইউনাইটেড নেশনসের একযোগী প্রতিক্রিয়া

আমেরিকার আইসিসি বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রতিবাদে ইউরোপ, কানাডা, জাপান ও ইউনাইটেড নেশনসের একযোগী প্রতিক্রিয়া

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আমেরিকা আইসিসি ও এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ, কানাডা, জাপান এবং ইউনাইটেড নেশনসের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রকাশ করেছে। আইসিসি নিষেধাজ্ঞাকে 'আন্তর্জাতিক আইনের উপর আক্রমণ' বলে অভিহিত করেছে এবং ১২৫ সদস্যদেশের সমর্থন চেয়েছে

আমেরিকার নতুন আইসিসি (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত) বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদে ইউরোপের প্রধান দেশসমূহ, কানাডা, জাপান এবং ইউনাইটেড নেশনসের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একযোগে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপকে 'আন্তর্জাতিক আইনের উপর আক্রমণ' বলে অভিহিত করে আইসিসি ১২৫ সদস্যদেশের সমর্থন চেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন সরকার ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আইসিসি ও এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যা 'রগ কোর্ট' বলে অভিহিত করেছে এবং তাদের সম্পদ কেটে দেবার ঘোষণা দিয়েছে।
  • 📌 মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কখনোই হেগের আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবে না।
  • 📌 আইসিসি নিষেধাজ্ঞাকে 'আন্তর্জাতিক আইনের উপর আক্রমণ' বলে অভিহিত করে এবং বলেছে, 'আদালত একাকী থাকতে পারে না, এর ভবিষ্যৎ সদস্য দেশগুলোর হাতে ন্যস্ত'।
  • 📌 ইউনাইটেড নেশনসের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস নিষেধাজ্ঞাকে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের লক্ষ্যে আমাদের যৌথ প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুতর আঘাত' বলে বর্ণনা করেছেন।
  • 📌 ইউরোপের ৮টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কানাডা ও জাপানের সমর্থনসহ ১১টি দেশ একযোগে নিষেধাজ্ঞা প্রতিবাদ করে বলেছে, 'এই পদক্ষেপ আইসিসির কাজে বাধা সৃষ্টি করবে'।

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আইসিসি ও এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা করেন, ওয়াশিংটন আইসিসিকে 'রগ কোর্ট' বলে অভিহিত করে তাদের সম্পদ কেটে দেবার এবং তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেবার পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কখনোই হেগের আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবে না।

আইসিসি নিষেধাজ্ঞাকে 'আন্তর্জাতিক আইনের উপর আক্রমণ এবং আন্তর্জাতিক আইন ব্যবস্থার মূল ভিত্তির উপর আক্রমণ' বলে অভিহিত করে। আদালতের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'আদালত একাকী থাকতে পারে না। এর ভবিষ্যৎ সদস্য দেশগুলোর হাতে ন্যস্ত। এই নয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের রক্ষায়, বরং আন্তর্জাতিক আইন ব্যবস্থার রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস এই মুহূর্তের বিচার করবে।'

মার্কিন প্রশাসন আগে থেকেই আইসিসির ১২ জন বিচারক ও অভিযোগকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তবে ৯ অক্টোবর তারা আইসিসি প্রতিষ্ঠানটিকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে ইউনাইটেড নেশনসের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস 'গভীরভাবে উদ্বিগ্ন' হন। তার মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক বলেন, 'আজকের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের আমাদের যৌথ প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুতর আঘাত। আইসিসি এই ক্ষেত্রে একটি মূল স্তম্ভ।'

ইউনাইটেড নেশনসের মানবাধিকার বিষয়ক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ভল্কার টার্ক বলেন, 'এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আইসিসি ও তাদের কর্মকর্তাদের প্রতি প্রতিদিনের কাজের জন্য প্রতিশোধস্বরূপ আরোপ করা হয়েছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সবচেয়ে খারাপ ঘটনাগুলোর জন্য দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার জন্য করা হয়। এই পদক্ষেপগুলি অগ্রহণযোগ্য।'

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কানাডা ও জাপানের সমর্থনসহ ১১টি দেশ একযোগে একটি বিবৃতি জারি করে। তারা বলেন, 'আমরা আইসিসির সমর্থনে একত্রিত আছি এবং এই পদক্ষেপের ফলে আদালতের কাজে বাধা সৃষ্টি হবে। আমরা নির্মল ও অন্তর্ভুক্তমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করব।'

ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন, যাঁর দেশ আইসিসির মালিকানাধীন, বলেন, 'আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত গভীরভাবে দুঃখজনক। আমরা আদালতের রক্ষায় দৃঢ় থাকব। তবে নিষেধাজ্ঞা তাত্ক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে না এবং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলি আইসিসির জন্য কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। ছয় মাসের মেয়াদে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।'

"আদালত একাকী থাকতে পারে না। এর ভবিষ্যৎ সদস্য দেশগুলোর হাতে ন্যস্ত। এই নয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের রক্ষায়, বরং আন্তর্জাতিক আইন ব্যবস্থার রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস এই মুহূর্তের বিচার করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ইউনাইটেড নেশনসের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস, ডাচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৫ সদস্যদেশ (আইসিসি), ১১টি দেশের সমর্থন (ইউরোপ, কানাডা, জাপান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖