📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শেখ হাসিনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেবার আশা করছে। মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই এবং তারা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার পক্ষে আছেন
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে যে, শেখ হাসিনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই এবং তারা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার পক্ষে আছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেছেন, শেখ হাসিনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেবার আশা করছেন।
- 📌 মার্কিন কর্মকর্তা জানান, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই এবং তারা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার পক্ষে আছেন।
- 📌 মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতে চান না।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায় এবং বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার কাজে তাদের পাশে রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেছেন, শেখ হাসিনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নেবার আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তা বলেন, ‘তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।’
শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। এতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া সম্পর্কিত উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসন দক্ষিণ এশিয়ায় বিরাজমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন।
মার্কিন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি। বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কার্পণ্য নেই। তাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলাটা সমীচীন মনে করছি না।’
"এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বিথানি মরিসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ (শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!