📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাইক্রোসফটসহ ৮ টি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে জালিয়াতির অভিযোগ

মাইক্রোসফটসহ ৮ টি প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে জালিয়াতির অভিযোগ

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস মাইক্রোসফটসহ ৮টি প্রযুক্তি কোম্পানিকে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া থেকে নিষেধ করেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অভিযোগে, কোম্পানিগুলো দেশীয় কর্মীদের বদলে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করছে এবং তাদের মজুরি কমিয়ে দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস মাইক্রোসফটসহ ৮টি প্রযুক্তি কোম্পানিকে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়। মার্কিন সরকারের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো দেশীয় কর্মীদের বদলে "বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক" নিয়োগ করছে এবং তাদের মজুরি কমিয়ে দিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস মাইক্রোসফটসহ ৮টি প্রযুক্তি কোম্পানিকে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে জালিয়াতির অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে
  • 📌 ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের দাবি, মাইক্রোসফট "আমেরিকার অন্য কোনো কোম্পানি মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি"
  • 📌 শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং ঘোষণা করেন, মাইক্রোসফট বা অন্য সাতটি কোম্পানির কোনো নতুন পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন অনুমোদন করা হবে না
  • 📌 মাইক্রোসফটের মুখপাত্রের দাবি, গত অর্থবছরে ৮০ শতাংশ এইচ-১বি ভিসা আবেদন ছিল বিদ্যমান কর্মীদের জন্য, নতুন নিয়োগ নয়
  • 📌 মাইক্রোসফটে একজন এইচ-১বি কর্মীর গড় বেতন ১ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার
  • 📌 ভ্যান্সের মতে, বিদেশি কর্মীদের চাকরি ছেড়ে যেতে হয় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড শেষে

📰 বিস্তারিত

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন যে, মাইক্রোসফটসহ অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল এবং ক্যাপজেমিনি কোম্পানিগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ভ্যান্সের অভিযোগ, মাইক্রোসফট কার্যত আমেরিকান কর্মীদের বদলে "বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক" নিয়োগ করছে। তিনি দাবি করেন, মাইক্রোসফট একই সময়ে প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে এবং ছয় হাজার ৮০০টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন করেছে।

শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং বলেন, মার্কিন সরকার মাইক্রোসফট বা অন্য সাতটি কোম্পানির কোনো নতুন বা বিচারাধীন পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম অনুমোদন করবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি এবং মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো "ভিসা তৈরির কারখানায়" পরিণত হয়েছে, যারা আমেরিকাকে বিদেশি কর্মী দিয়ে "ভাসিয়ে" দিচ্ছে।

মাইক্রোসফটের মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, গত অর্থবছরে কোম্পানির ৮০ শতাংশ এইচ-১বি ভিসা আবেদন ছিল বিদ্যমান কর্মীদের জন্য, নতুন নিয়োগের জন্য নয়। তিনি আরও বলেন, মাইক্রোসফট এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে যে আন্তর্জাতিক কর্মীদের নিয়োগ করে তাদের সেই একই স্তরের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয় যা একজন আমেরিকান কর্মী পাবেন।

"আমেরিকার অন্য কোনো কোম্পানি মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, হোয়াইট হাউস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেডি ভ্যান্স (ভাইস প্রেসিডেন্ট), কিথ সন্ডারলিং (শ্রমমন্ত্রী), সত্য নাদেলা (মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ হাজার (এইচ-১বি ভিসার সর্বোচ্চ সীমা), ৮০০টি (মাইক্রোসফটের এইচ-১বি আবেদন), ১ লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার (এইচ-১বি কর্মীর গড় বেতন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖