📌 মার্কিন সেনাবাহিনী গলফ অব ওমানে একটি প্যানামা-ফ্ল্যাগড জাহাজে আক্রমণ করে, যা ইরানের নৌব্লকেড ভাঙ্গতে চেষ্টা করছিল। মার্কিন সেনা বলেছে, জাহাজের ক্রুকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই তাদের চালনাকারী ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইরানও হরমুজ নরওয়ে’র জাহাজ আক্রমণ করে নিজস্ব ব্লকেড জোরদার করার দাবি করেছে
মার্কিন সেনাবাহিনী গলফ অব ওমানে একটি প্যানামা-ফ্ল্যাগড বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ করে, যা ইরানের নৌব্লকেড ভাঙ্গতে চেষ্টা করছিল। মার্কিন সেনা বলেছে, জাহাজের ক্রুকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই তাদের চালনাকারী ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, জাহাজের নাম ‘এমভি ওশান মোলিকা’ বা ‘আরিকা সান’। মার্কিন সেনা বলেছে, জাহাজটি ইরানের বন্দর থেকে বেরিয়ে এসে অঞ্চলীয় জলপথে চলাচল করতে গিয়ে বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ব্লকেড ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন সেনা গলফ অব ওমানে একটি প্যানামা-ফ্ল্যাগড জাহাজে আক্রমণ করে, যা ইরানের নৌব্লকেড ভাঙ্গতে চেষ্টা করছিল।
- 📌 মার্কিন সেনা বলেছে, জাহাজের ক্রুকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই তাদের চালনাকারী ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 মার্কিন সেনা বলেছে, জাহাজটি ইরানের বন্দর থেকে বেরিয়ে এসে অঞ্চলীয় জলপথে চলাচল করতে গিয়ে বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ব্লকেড ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল।
- 📌 মার্কিন সেনা জুলাই ১৪ তারিখ থেকে ইরানের বন্দর থেকে যাওয়া-আসা জাহাজের ব্লকেড জোরদার করেছে। এই সময়ে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ ধ্বংস এবং ১৩৫টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলেছে, তারা হরমুজ নরওয়ে’র একটি জাহাজ আক্রমণ করেছে, যা অবৈধ পথে চলাচল করছিল।
- 📌 যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ নরওয়ে’র একটি ট্যাঙ্কার জাহাজে অজ্ঞাত উৎস থেকে আক্রমণ করা হয়েছে, যার ফলে জাহাজে আগুন লেগেছে।
- 📌 ইরান বর্তমানে হরমুজ নরওয়ে’র নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে এবং জাহাজগুলিকে তাদের পছন্দসই পথে চলাচল করতে বাধ্য করছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা গত শনিবার একটি মার্কিন সেনা জেট থেকে প্রিসিশন মিউনিশন ব্যবহার করে জাহাজটির পিছনের অংশে আক্রমণ চালিয়েছে। এই আক্রমণে জাহাজটির চালনাকারী ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু জাহাজের ক্রুদের কোনো ক্ষতি হয়নি। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি ইরানের বন্দর থেকে বেরিয়ে এসে অঞ্চলীয় জলপথে চলাচল করতে গিয়ে বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইরানের নৌব্লকেড ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল।
সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন সেনা জুলাই ১৪ তারিখ থেকে ইরানের বন্দর থেকে যাওয়া-আসা জাহাজের ব্লকেড জোরদার করেছে। এই সময়ে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ ধ্বংস এবং ১৩৫টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, মার্কিন সেনা বলেছে, তারা আইআরজিসির ‘মাল্টিবিলিয়ন ডলার শ্যাডো নেটওয়ার্ক’-এর সাথে জড়িত ১০টি ট্যাঙ্কার ধ্বংস করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলেছে, তারা হরমুজ নরওয়ে’র একটি জাহাজ আক্রমণ করেছে, যা অবৈধ পথে চলাচল করছিল। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করেছে এবং জাহাজটির নাম ‘এনভি সানশাইন’। এই জাহাজটি ন্যাটওয়িটের মালিকানাধীন ছিল এবং হরমুজ নরওয়ে’র দক্ষিণে অবৈধ পথে চলাচল করছিল।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, গত রবিবার হরমুজ নরওয়ে’র একটি ট্যাঙ্কার জাহাজে অজ্ঞাত উৎস থেকে আক্রমণ করা হয়েছে। এই আক্রমণে জাহাজের বাম পাশে একটি অজ্ঞাত প্রকল্পিল আঘাত হানে, যার ফলে জাহাজে আগুন লেগেছে। ইউকেএমটিও বলেছে, জাহাজের ক্রুদের কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু ক্ষতির পরিমাণ এবং পরিবেশগত প্রভাব এখনও জানা যায়নি।
ইরান বর্তমানে হরমুজ নরওয়ে’র নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে এবং জাহাজগুলিকে তাদের পছন্দসই পথে চলাচল করতে বাধ্য করছে। তবে, জাহাজগুলিকে হরমুজ নরওয়ে’র দক্ষিণ উপকূলের কাছে বরাবর চলাচল করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে, যা ইরানের পছন্দসই পথ নয়। ইউকেএমটিও জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার একটি জাহাজকে কাতারের উত্তর উপকূল থেকে ৯৪ কিলোমিটার উত্তরে আক্রমণ করা হয়েছে, যার ফলে কিছু আহত হয়েছে। তবে, এই আক্রমণে জাহাজের নাম বা আহতদের সংখ্যা জানা যায়নি।
"জাহাজের ক্রু বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইরানের নৌব্লকেড ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল এবং তাদের চালনাকারী ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ক্রুদের কোনো ক্ষতি হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গলফ অব ওমান, হরমুজ নরওয়ে, কাতার, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন সেনাবাহিনী, সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম), ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৫টি জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়া, ৪টি জাহাজ ধ্বংস, ১০টি ট্যাঙ্কার ধ্বংস, ৯৪ কিলোমিটার দূরত্ব
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!