📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ঘাটতির কারণে দেশটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মোট সরকারি ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সর্বশেষ তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটির মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে জনগণের হাতে থাকা ট্রেজারি সিকিউরিটির পরিমাণ ৩২ দশমিক ২৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে থাকা ঋণের পরিমাণ ৭ দশমিক ৭৮২ ট্রিলিয়ন ডলার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে
- 📌 জনগণের হাতে থাকা ট্রেজারি সিকিউরিটির পরিমাণ ৩২ দশমিক ২৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার
- 📌 সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে থাকা ঋণের পরিমাণ ৭ দশমিক ৭৮২ ট্রিলিয়ন ডলার
- 📌 গত এক দশকেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঋণ দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরকারি ব্যয় ও রাজস্ব ঘাটতির ভারসাম্যহীনতার কারণে দেশটি ঋণ সংকটের দিকে এগোচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সর্বশেষ দৈনিক নগদ ও ঋণ হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার। এর আগে গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ আরও ৩ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ঘাটতির কারণে দেশটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মাত্র এক দশকেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এই ঋণ দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় সরকারের ঋণ ছিল ১৯ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এর অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি ঘটেছে তাঁর প্রথম মেয়াদের শেষ নয় মাসে, যখন কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল।
মার্কিন থিংক ট্যাংক কমিটি ফর আ রেসপন্সিবল ফেডারেল বাজেটের প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেন, ‘৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ শুধু সরকারের হিসাবের খাতায় থাকা কোনো সংখ্যা নয়। এর প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়ে এবং কোনো না কোনোভাবে মানুষের পকেটেও পৌঁছে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যত বেশি ঋণ করি, তত বেশি মূল্যস্ফীতি বাড়ে, বাজেটের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয়ের সুযোগ কমে যায় এবং দেশের ভেতরের জরুরি পরিস্থিতি কিংবা বিদেশের অস্থিরতার সময় আমরা আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ি।’
‘৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ শুধু সরকারের হিসাবের খাতায় থাকা কোনো সংখ্যা নয়। এর প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে পড়ে এবং কোনো না কোনোভাবে মানুষের পকেটেও পৌঁছে যায়।’ — মায়া ম্যাকগিনিয়াস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মায়া ম্যাকগিনিয়াস, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার, ৩২ দশমিক ২৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার, ৭ দশমিক ৭৮২ ট্রিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!