📌 যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইককে দু'বার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে আছেন। আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন এবং গভর্নর স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইককে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও তিনি বেঁচে আছেন। বুধবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় দু'বার প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হলেও তার মৃত্যু হয়নি। বর্তমানে তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক**কে দু'বার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি বেঁচে আছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
- 📌 **মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তার শরীরে অন্তত সাতটি সুচ ব্যবহার করা হয়**, কিন্তু একটি সুচ বাঁকা অবস্থায় ছিল বলে আইনজীবী জানান।
- 📌 **গভর্নর বিল লি** মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘অনেক প্রশ্ন রয়েছে’।
- 📌 **টেনেসি অঙ্গরাজ্যের চলতি বছরের সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত** করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ ডিসেম্বর দণ্ড কার্যকরের কথা থাকা গ্যারি সাটনও অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 **১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে** ১৮ বছর বয়সী পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
বুধবার ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় তাকে দু'বার প্রাণঘাতী ওষুধ পেন্টোবারবিটাল দেওয়া হয়। কিন্তু তার মৃত্যু হয়নি। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই মুহূর্তে তিনি বেঁচে আছেন। তবে তার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমাদের কাছে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই।’
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে পাইকের শরীরে শিরায় ওষুধ দেওয়ার পথ তৈরির জন্য প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করা হয়। আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি জানান, তার বাঁ হাতে অন্তত সাতটি সুচ ব্যবহার করতে দেখেছেন। এর মধ্যে একটি সুচ বের করার সময় বাঁকা অবস্থায় ছিল। দ্বিতীয় দফায় প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়ার পরও পাইক শ্বাস নিচ্ছেন বলে স্পষ্ট হয়ে যায়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রত্যক্ষদর্শীদের একটি বন্ধ পর্দার পেছনে রাখা হয়, ফলে ওই সময় পর্দার আড়ালে কী ঘটছিল, তা তারা দেখতে পাননি।
ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তবে এর আগে একই ধরনের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। আরেক আইনজীবী স্টিফেন ফেরেল বলেন, তারা অন্যান্য আইনি পথও খতিয়ে দেখছেন। প্রথমে তারা নিশ্চিত করতে চান যে পাইক সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তার নিজের ইচ্ছা জানার সুযোগ দেবেন।
স্লেমারের মা মে মার্টিনেজ, যিনি মেয়ের হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দেখতে টেনেসিতে গিয়েছিলেন, এনবিসি নিউজকে বলেন, ‘এটা ছিল একেবারেই বিশৃঙ্খল।’
"এই মুহূর্তে তিনি বেঁচে আছেন। তবে তার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমাদের কাছে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই।"
— **আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি**
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেনেসি, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টা পাইক, আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি, গভর্নর বিল লি, মে মার্টিনেজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (পাইকের বয়স), ১৯ বছর (স্লেমারের বয়স), ১৮ বছর (পাইকের বয়স), ৩ ডিসেম্বর (গ্যারি সাটনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!