📌 যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী লড়াইতে রিপাবলিকানদের পতনের সম্ভাবনা বেড়েছে। ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনতে ৯৩.৬% সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাম্পের নেতৃত্বে নেতিবাচক প্রচারণা সত্ত্বেও রিপাবলিকানরা পিছু হটছে, বিশেষত সিনেট আসনে
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী মাঠে রিপাবলিকানদের পতনের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনতে ৯৩.৬ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে রিপাবলিকানদের নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দলের সমর্থকদের জাগিয়ে তুলতে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা সফল হচ্ছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনতে ৯৩.৬ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে রয়েছে, সিনেটে ৭৫ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে।
- 📌 রিপাবলিকান দলের নেতিবাচক প্রচারণায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যয় হচ্ছে, বিশেষত মিশিগান ও টেক্সাসের সিনেট আসনে।
- 📌 ট্রাম্পের জনমত সমর্থন মাত্র ৩১ শতাংশ, যা সর্বনিম্ন।
- 📌 রিপাবলিকানরা নিজেদের বিজ্ঞাপন বরাদ্দ কমিয়ে দিচ্ছেন, বিশেষত নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়ার সিনেট আসনে।
- 📌 ট্রাম্পের নেতৃত্বে রিপাবলিকান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চলছে, যেখানে তাদেরকে 'সন্ত্রাসী' ও 'গুপ্ত-সমকামী' হিসেবে চিত্রিত করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ নেট সিলভারের মডেল অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে ২৪টি আসন এবং সিনেটে ৫টি আসন বাড়াতে সক্ষম হতে পারে। তবে এই পূর্বাভাস নিশ্চিত নয়। সিলভার বুলেটিনের ২০ অক্টোবরের আপডেটে দেখা যায়, ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কংগ্রেসনাল ব্যালটে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৭ শতাংশ পয়েন্ট। এটি তাদের সর্বোচ্চ ব্যবধান।
রিপাবলিকান দলের পিছু হটার প্রমাণও পাওয়া যাচ্ছে। নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়ার সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকানরা বিজ্ঞাপন বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে। নর্থ ক্যারোলাইনা সিনেট লিডারশিপ ফান্ড কানসাসের সিনেট আসনে অর্থ সরিয়ে নিয়েছে। কানসাসের সিনেট আসনে রিপাবলিকান প্রার্থী রজার মার্শালের বিপদে পড়ার কারণ হলো, তিনি চিকিৎসা ফি দিতে না পারার অপরাধে নিম্ন আয়ের রোগীদের জেলে পাঠিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবস্থা আরও খারাপ। একাধিক রিপাবলিকান নেতা স্বীকার করেছেন যে, এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ধরে রাখা অসম্ভব। স্পিকার মাইক জনসন পর্যন্ত ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি রাজনীতি ছেড়ে ব্যবসায় মন দেবেন।
রিপাবলিকানদের বড় সুবিধা হলো তাদের বিপুল নির্বাচনী তহবিল। দলীয় তহবিলের বাইরে, সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটিগুলো বিপুল অর্থ ঢালছে। জুলাই থেকে ইলন মাস্ক একাই রিপাবলিকানপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে ২৭৬ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন। ট্রাম্প নিজেও ব্যক্তিগতভাবে ৪০০ মিলিয়ন ডলার খরচের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রিপাবলিকানরা মিশিগান, টেক্সাস ও মেইনের সিনেট আসনে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন। মিশিগানে প্রগতিশীল প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদকে হারাতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে পারে। অন্যদিকে টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জেমস টালারিকোর বিরুদ্ধে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী কেন প্যাক্সটনকে জিতিয়ে আনতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে। ইলন মাস্ক একাই দেড় শ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন। মেইনে মধ্যপন্থী সিনেটর সুসান কলিন্সকে হারাতে রিপাবলিকানরা হাতখুলে ব্যয় করছে।
"৩১ শতাংশ — যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেকোনো প্রেসিডেন্টের জন্য সর্বনিম্ন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (মিশিগান, টেক্সাস, মেইন, নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, কানসাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, রজার মার্শাল, আবদুল এল-সাইয়েদ, জেমস টালারিকো, সুসান কলিন্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩.৬%, ৭৫%, ২৪টি আসন, ৫টি আসন, ৩১%, ২৭৬ মিলিয়ন ডলার, ৪০০ মিলিয়ন ডলার, ৩০০ মিলিয়ন ডলার, ৫০০ মিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!