📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন নাগরিকদের ৬৫% ট্রাম্পকে দায়ী করছেন মূল্যস্ফীতিতে

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন নাগরিকদের ৬৫% ট্রাম্পকে দায়ী করছেন মূল্যস্ফীতিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন ৬৫% মার্কিন নাগরিক। জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি মাত্র ৩০% সমর্থন রয়েছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই অসন্তোষ রিপাবলিকানদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি ক্রমাগত অসন্তোষ বাড়ছে। নতুন জরিপে দেখা গেছে, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য প্রেসিডেন্টকে দায়ী করেছেন দেশটির ৬৫% নাগরিক। অন্যদিকে, ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন প্রতি ১০ জনের মাত্র ২ জন। এপি-এনওআরসি সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের জরিপটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা জনমতের চিত্র তুলে ধরেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫% নাগরিক ট্রাম্পকে দায়ী করছেন নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে
  • 📌 মাত্র প্রতি ১০ জনে ৩ জনই ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতিকে সমর্থন করছেন
  • 📌 ৭০% ভোটার মূল্যস্ফীতি ও খরচ বৃদ্ধিকে নিজেদের প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করছেন
  • 📌 রিপাবলিকান সমর্থক ফ্রেড নাউম্যান বলেছেন, হোয়াইট হাউসের আশ্বাস সত্ত্বেও দাম বেড়েই চলেছে
  • 📌 ক্রিস্টেন স্লেভেন বলেছেন, আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ মূল্যস্ফীতিকে বাড়িয়েছে
  • 📌 রবার্ট গল্ট বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ হচ্ছে না, মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো স্বস্তি পাচ্ছে না
  • 📌 ডেমোক্রেটরা দাবি করছেন, ট্রাম্পের নীতি ধনীদের সুবিধা দিচ্ছে, কাজ করে খাওয়া পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি ক্রমাগত অসন্তোষ বাড়ছে। এপি-এনওআরসি সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের নতুন জরিপে দেখা গেছে, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য প্রেসিডেন্টকে দায়ী করেছেন দেশটির ৬৫% নাগরিক। অন্যদিকে, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন প্রতি ১০ জনের মাত্র ২ জন। জরিপটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা জনমতের চিত্র তুলে ধরেছে।

জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন প্রতি ১০ জনে মাত্র ৩ জন। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামকে নিজেদের প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা।

রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্টের আগ্রাসী শুল্কনীতি, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ এবং দুই বছর আগে নির্বাচনী প্রচারে দ্রুত অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার কারণে অসন্তোষ বাড়ছে। জরিপে অংশ নেওয়া একজন রিপাবলিকান সমর্থক ফ্রেড নাউম্যান বলেছেন, “হোয়াইট হাউসের আশ্বাস সত্ত্বেও পণ্যের দাম ও দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে। প্রতি সপ্তাহেই আমি আর্থিক চাপ অনুভব করছি।”

ক্রিস্টেন স্লেভেন, যিনি কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করেন না, বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি করা পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের কারণে মূল্যস্ফীতি কমেনি। বরং এই নীতি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি খরচের বোঝা চাপিয়েছে।” আরেক ভোটার রবার্ট গল্ট বলেছেন, “ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে দ্রুত জিনিসপত্রের দাম কমানো ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন; কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এখনো প্রতিমাসে তাদের খরচের হিসাবে উল্লেখযোগ্য কোনো স্বস্তি পায়নি।”

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই জনমতের চিত্র রিপাবলিকান সরকারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কংগ্রেসে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে লড়ছে দলটি। ডেমোক্রেটিক দলের নেতারা এই জরিপের ফলাফল তুলে ধরে বলছেন, ট্রাম্পের নীতি মূলত ধনীদের সুবিধা দিচ্ছে এবং কাজ করে খাওয়া পরিবারগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সূচক এখনো শক্তিশালী রয়েছে। তবে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার জটিলতা এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে নেওয়া নীতিগুলো মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী বলে তারা দাবি করছেন।

"হোয়াইট হাউসের আশ্বাস সত্ত্বেও পণ্যের দাম ও দৈনন্দিন খরচ বেড়েই চলেছে। প্রতি সপ্তাহেই আমি আর্থিক চাপ অনুভব করছি"
"যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি করা পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের কারণে মূল্যস্ফীতি কমেনি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফ্রেড নাউম্যান, ক্রিস্টেন স্লেভেন, রবার্ট গল্ট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫% (নাগরিকদের ট্রাম্পকে দায়ী), ২ জন (প্রতি ১০ জনে সমর্থক), ৩ জন (অর্থনৈতিক নীতির সমর্থক), ৭০% (মূল্যস্ফীতিকে উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖