📌 আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন যে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বব্যাপী ইরানির সব বিমানসংস্থা কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সতর্ক করেছেন যে কোনো কোম্পানি ইরানির বিমানসংস্থার সাথে কাজ করলে তাদের ডলার ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়া হবে। ইরানের বিমানবাহিনী দীর্ঘকালের আমেরিকান সנקশনের কারণে পিছিয়ে পড়েছে এবং এখনো ২৭টি বিমানসংস্থা রয়েছে যাদের মধ্যে মাহান এয়ার, ইরান এয়ার এবং কেশম এয়ার প্রধান
আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন যে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বব্যাপী ইরানির সব বিমানসংস্থা কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সতর্ক করেছেন যে কোনো কোম্পানি ইরানির বিমানসংস্থার সাথে কাজ করলে তাদের ডলার ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়া হবে। এই সিদ্ধান্তটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের "অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট" প্রকল্পের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা ইরানের অর্থনীতিকে আরো চাপ দিতে উদ্দেশ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বব্যাপী ইরানির বিমানসংস্থাগুলো কার্যকরভাবে বন্ধ হয়ে যাবে** — মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী, ইরানির বিমানসংস্থাগুলোকে আন্তর্জাতিক পরিষেবা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দেয়া হবে।
- 📌 **ইরানির বিমানসংস্থাগুলোকে কোনো দেশই সহায়তা করলে ডলার ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়া হবে** — অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ইরানির বিমানসংস্থাগুলোকে জ্বালানি, অবতরণ পরিষেবা বা টিকিট বিক্রি করলে তাদের ডলার ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়া হবে।
- 📌 **ইরানের বিমানবাহিনী দীর্ঘকালের সঙ্কটের মধ্যে** — ইরানের বিমানবাহিনী দীর্ঘকালের মার্কিন সঙ্কশনের কারণে পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমানে ২৭টি বিমানসংস্থা রয়েছে, যার মধ্যে মাহান এয়ার, ইরান এয়ার এবং কেশম এয়ার প্রধান।
- 📌 **মাহান এয়ারের আন্তর্জাতিক পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে** — মাহান এয়ার ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা, তেহরান-মাস্কাত এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পরিষেবা বন্ধ করেছে।
- 📌 **ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা ৪৯% কমেছে** — আগস্ট মাসে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা ২০২৫ সালের তুলনায় ৪৯% কমেছে, যার মধ্যে ফ্লাইডুবাই এবং টার্কিশ এয়ারলাইন্সের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বব্যাপী ইরানির বিমানসংস্থাগুলোকে কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, “২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সব ইরানির বিমানসংস্থা বিশ্বব্যাপী বন্ধ হয়ে যাবে”। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, ইরানির বিমানসংস্থাগুলোকে জ্বালানি, অবতরণ পরিষেবা বা টিকিট বিক্রি করলে তাদের ডলার ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়া হবে। এই সিদ্ধান্তটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের "অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট" প্রকল্পের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা ইরানের অর্থনীতিকে আরো চাপ দিতে উদ্দেশ্য।
ইরানের বিমানবাহিনী দীর্ঘকালের মার্কিন সঙ্কশনের কারণে পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমানে ইরানে ২৭টি বিমানসংস্থা রয়েছে, যার মধ্যে মাহান এয়ার, ইরান এয়ার এবং কেশম এয়ার প্রধান। মাহান এয়ার ইরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিমানসংস্থা, যা চীন, ভারত, ইরাক, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশে পরিষেবা প্রদান করে। তবে ইস্তাম্বুল এবং আঙ্কারার মতো গন্তব্যে পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইরান এয়ারের আন্তর্জাতিক পরিষেবাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, বর্তমানে তারা ইরাকের নাজাফ, বাগদাদ এবং ইস্তাম্বুলে পরিষেবা প্রদান করছে।
ইরানের বিমানবাহিনীর প্রধান নির্বাহী তাহের আবদোলহাই বলেছেন যে, ইরানের বিমানবাহিনীতে অর্থনৈতিক চাপ "মেটাস্টাসিস ক্যান্সার" এর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে, মার্কিন হামলায় অন্তত ৩০টি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেশম এয়ারও ইরানের একটি উল্লেখযোগ্য বিমানসংস্থা, যা ইস্তাম্বুল, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জার্মানিতে আন্তর্জাতিক পরিষেবা প্রদান করে।
"২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সব ইরানির বিমানসংস্থা বিশ্বব্যাপী বন্ধ হয়ে যাবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (বিশেষত ইস্তাম্বুল, বাগদাদ, নাজাফ, সংযুক্ত আরব আমিরাত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, তাহের আবদোলহাই (ইরান এয়ার প্রধান নির্বাহী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭টি ইরানি বিমানসংস্থা, ৪৯% কমেছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা, ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!