📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। এই ২.১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে মিসাইলগুলো ২০৩০-এর দশকের শুরুতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। এই চুক্তির মূল্য প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে, এই মিসাইল প্যাকেজ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রশাসনের শুরু থেকে ইউক্রেনকে প্রতিরক্ষা অস্ত্র সরবরাহের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপের একটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল বিক্রির অনুমতি দিয়েছে, মোট মূল্য ২.১ বিলিয়ন ডলার
- 📌 ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ওয়াশিংটন ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মিসাইল সরবরাহে প্রায় এক মাস ধরে দেরি করছে
- 📌 রাশিয়া ইউক্রেনের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে ফেলার জন্য ক্রমাগত মিসাইল হামলা চালাচ্ছে, যার ফলে সিভিলিয়ান ও শক্তি অবকাঠামোতে ক্ষতি হচ্ছে
- 📌 ইউক্রেনের ডনিপ্রো শহরে একটি রেল স্টেশনে রাশিয়ান ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়
- 📌 মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন ২০৩০-এর দশকের শুরুতে এই মিসাইলগুলো পাবে না, কারণ উৎপাদন প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ
- 📌 কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ে ইউক্রেনের জন্য এই মিসাইল কেনার অর্থ প্রদান করবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউক্রেন সমর্থন ঋণ প্রোগ্রামের মাধ্যমে
- 📌 মার্কিন রক্ষণশীল কোম্পানি লকহিড মার্টিন এই মিসাইল বিক্রির প্রধান কন্ট্রাক্টর, যারা ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ প্যাট্রিয়ট মিসাইল উৎপাদন ক্ষমতা ত্রিগুণ বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
- 📌 মার্কিন সেনাবাহিনী ও ইরানে তাদের কার্যক্রমের জন্য বড় পরিমাণে অস্ত্র সরবরাহের কারণে মার্কিন সরকারের প্রতিরক্ষা ও প্রিসিশন-গাইডেড অস্ত্রের স্টক কমে যাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে ফেলার জন্য ক্রমাগত মিসাইল হামলা চালাচ্ছে। এই হামলাগুলো ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামো ও সিভিলিয়ানদের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। শুধুমাত্র গত শুক্রবারই ইউক্রেনের ডনিপ্রো শহরে একটি রেল স্টেশনে রাশিয়ান ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়। অন্য দুটি শহরে দিনের বেলায় মিসাইল হামলায় পাঁচ জন এবং কিয়েভে রাতে মিসাইল হামলায় এক জন নিহত হয়েছেন।
তবে মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন ২০৩০-এর দশকের শুরুতে এই মিসাইলগুলো পাবে না। কারণ এই মিসাইলগুলো উৎপাদন করা হচ্ছে না এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ। মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই মিসাইলগুলো উৎপাদন করার জন্য লকহিড মার্টিন কোম্পানিকে একটি ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে লকহিড মার্টিন ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল উৎপাদন ক্ষমতা ত্রিগুণ বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এই মিসাইল বিক্রির অর্থ প্রদান করবে কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ে। ইউক্রেনের জন্য এই অর্থ প্রদান করবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউক্রেন সমর্থন ঋণ প্রোগ্রামের মাধ্যমে। মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থের একটি অংশ ইউক্রেনের জাতীয় অর্থনীতির মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
"ইউক্রেনের জন্য এই মিসাইল সরবরাহের জন্য আমরা প্রায় এক মাস ধরে দেরি করছি। রাশিয়া ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামো ও সিভিলিয়ানদের উপর ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে। আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য এই মিসাইলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা। তবে মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেন ২০৩০-এর দশকের শুরুতে এই মিসাইলগুলো পাবে না। কারণ এই মিসাইলগুলো উৎপাদন করা হচ্ছে না এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন), ইউক্রেন (ডনিপ্রো, কিয়েভ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি, লকহিড মার্টিন কোম্পানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল, ২.১ বিলিয়ন ডলার, ১৪ জন নিহত (ডনিপ্রো), ৫ জন নিহত (দুটি শহর), ১ জন নিহত (কিয়েভ), ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলার (লকহিড মার্টিনের চুক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!