📌 অনিয়মের অভিযোগে গ্রিসের মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েল পদত্যাগ করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। গিলফয়েল অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং নিজের সুনাম রক্ষার কথা বলেছেন
গ্রিসের মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েল অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। পদত্যাগের ঘোষণা দিলে তিনি বলেছেন, তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলেও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আন্দোলন ও দেশের প্রতি তার অঙ্গীকার অটুট থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রিসের মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েল অনিয়মের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন।
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসন তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া সাংবাদিকদের জানান, গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
- 📌 গিলফয়েল অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং তিনি নিজের সুনাম রক্ষায় পদক্ষেপ নেবেন।
- 📌 ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গিলফয়েল এক রাজনৈতিক দাতার কাছে ১ লাখ ডলার বিল পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছিলেন বিনিময়ে তাকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
- 📌 গিলফয়েলের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, চাওয়া অর্থটি বক্তব্য ফি ও পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সের পারিশ্রমিক ছিল।
- 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রাথমিকভাবে গিলফয়েলকে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু পরে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।
📰 বিস্তারিত
গ্রিসের মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েলের পদত্যাগের পিছনে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া সাংবাদিকদের জানান, তারা গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তিনি গিলফয়েলকে দলের একজন চমৎকার সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে তার ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন।
গিলফয়েল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলেও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ আন্দোলন এবং দেশের প্রতি তার অঙ্গীকার অটুট থাকবে। একই সঙ্গে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানান, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং তিনি নিজের সুনাম ও সততা রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপ নেবেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসে নিয়োগ নিশ্চিতকরণ শুনানির কিছুদিন আগে গিলফয়েল এক রাজনৈতিক দাতার কাছে তার এক লাখ ডলারের ক্রেডিট কার্ড বিল পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বিনিময়ে তিনি ওই দাতাকে ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে গিলফয়েল গ্রিক সরকারকে চাপে ফেলতে মার্কিন প্রভাব খাটানোর কথা বলেছিলেন এবং একটি স্থানীয় নির্মাণ ও জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ উদ্ধারে প্রভাব বিস্তারসহ তাদের এক লবিস্টকে ব্যক্তিগত কূটনৈতিক বৈঠকে উপস্থিত থাকার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
গিলফয়েলের আইনজীবীদের দাবি, চাওয়া অর্থটি কোনো অনৈতিক লেনদেন নয়, বরং গিলফয়েলের বকেয়া থাকা বক্তব্য ফি ও পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সের পারিশ্রমিক ছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই অভিযোগের প্রতি সতর্কতা দেখিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই গিলফয়েলকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রাথমিকভাবে গিলফয়েলকে একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রদূত হিসেবে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।
"রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলেও আমেরিকা ফার্স্ট আন্দোলন এবং দেশের প্রতি আমার অঙ্গীকার অটুট থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম্বার্লি গিলফয়েল, ডোনাল্ড ট্রাম্প, কেটি জাকারিয়া, মার্কো রুবিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!