📌 ইংল্যান্ডের মেট্রোপলিটন পুলিশের ছদ্মবেশী কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু কোলস (৬৬) যৌন প্রতারণা ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে উঠেছেন। পশু অধিকারকর্মী জেসিকা দাবি করেছেন, তিনি প্রতারণায় বাধ্য হয়েছিলেন যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া। পুলিশ স্বীকার করেছে তাদের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু কোলস প্রতারণার দাবি অস্বীকার করছেন।
ইংল্যান্ডের মেট্রোপলিটন পুলিশের ছদ্মবেশী কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু কোলস (৬৬) যৌন প্রতারণা ও গুপ্তচরবৃত্তির বিতর্কিত কাহিনী নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন। পশু অধিকারকর্মী জেসিকা (৫৪) দাবি করেছেন, তিনি প্রতারণায় বাধ্য হয়েছিলেন যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া। এই ঘটনার পেছনে গোপন পুলিশি কার্যক্রমের সত্য কে বলছে, তা এখনও অজানা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অ্যান্ড্রু কোলস (৬৬) মেট্রোপলিটন পুলিশের ছদ্মবেশী কর্মকর্তা ছিলেন, যিনি ১৯৯০-৯৫ সাল পর্যন্ত এসডিএস (Special Demonstration Squad)-এ কর্মরত ছিলেন।
- 📌 পশু অধিকারকর্মী জেসিকা দাবি করেছেন, কোলস প্রতারণায় তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেছিল। তিনি বলেছেন, “সে আমাকে নিজের বশে এনেছিল। এটাকে ধর্ষণ বলা কঠিন, কিন্তু সে জানত যে আমার সাথে যৌনমিলন করাটা আমার সম্মতির বিরুদ্ধে হতো”।
- 📌 পুলিশ কমিশনার স্যার মার্ক রাউলি লিখেছেন, “এমপিএস স্বীকার করেছে যে অ্যান্ড্রু কোলসের সঙ্গে জেসিকার যৌন সম্পর্ক ছিল, এবং তিনি তদন্তে সত্য না বলায় হতাশ”।
- 📌 কোলস প্রতারণার দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, “এটা নিছকই প্রতিশোধ”। তিনি দাবি করেছেন, তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
- 📌 কোলস স্বীকার করেছেন, তিনি গোপন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাদক গ্রহণ, মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া ও আইন ভাঙার মতো কাজ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
অ্যান্ড্রু কোলস (৬৬) কেমব্রিজশায়ারের গ্রামাঞ্চলে বর্তমানে একটি খড়ের চালের কুটিরে বাস করেন। তিনি একসময় মেট্রোপলিটন পুলিশের ছদ্মবেশী কর্মকর্তা ছিলেন, যাকে বলা হতো ‘স্পাই কপ’। তিনি ১৯৯০ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত এসডিএস (Special Demonstration Squad)-এ কর্মরত ছিলেন, যা রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী গোষ্ঠীতে অনুপ্রবেশ করত। এই স্কোয়াডের কার্যকলাপ তদন্তাধীন রয়েছে।
পশু অধিকারকর্মী জেসিকা (৫৪) দাবি করেছেন, কোলস প্রতারণায় তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেছিল। তিনি বলেছেন, “অনেক রাতে সে বাড়িতে আসত এবং তাকে তাড়াতে আমাদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হতো। তারপর এক রাতে, কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই, সে আমাকে চুমু খেতে এলো। পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার মতো সাহস আমার ছিল না এবং সে-ই আমার প্রথম সত্যিকারের প্রেমিক হয়ে গেল”। জেসিকা স্বীকার করেছেন, তিনি তখন ২৪ বছর বয়সী মনে করতেন, কিন্তু আসলে তার বয়স ছিল ৩২ বছর এবং তিনি বিবাহিত ছিলেন।
কোলসের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি একই ধরনের সম্পর্ক রাখার বিষয়ে সহকর্মীদের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমি মাদক নিতাম – গাঁজা। এটা জরুরি ছিল – আপনার বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য অন্য কাউকে তো সাক্ষ্য দিতে হতো। আমাকে লেবু চিপার একটি বোতল দেওয়া হয়েছিল, যেটি নাকি অ্যাসিডে ভর্তি ছিল, এবং আমি সেটা একটা কসাইয়ের দোকানের জানালার ওপর ছিটিয়ে দিয়েছিলাম”। তিনি আরও স্বীকার করেছেন, তিনি মুরগির একটি খামারে চালানো এক অভিযানেও জড়িত ছিলেন, যেখানে সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করা হয়েছিল।
কোলস দাবি করেছেন, তিনি একজন ভালো ছদ্মবেশী পুলিশ কর্মকর্তার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলী হিসেবে সহনশীলতা, সাহসিকতা এবং নির্মমতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমারও তাই মনে হয়, যদিও আমি আমার নিজের ব্যক্তিত্বের চেয়ে খুব একটা ভিন্ন আচরণ করিনি”।
"এমপিএস স্বীকার করেছে যে অ্যান্ড্রু কোলসের সঙ্গে জেসিকার যৌন সম্পর্ক ছিল, এবং তিনি তদন্তে সত্য না বলায় হতাশ,
"এটা নিছকই প্রতিশোধ,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইংল্যান্ড, কেমব্রিজশায়ার (অ্যান্ড্রু কোলসের বর্তমান বাসস্থান); লন্ডন (পুলিশি কার্যক্রম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ড্রু কোলস (৬৬), পশু অধিকারকর্মী জেসিকা (৫৪), স্যার মার্ক রাউলি (পুলিশ কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬ বছর (অ্যান্ড্রু কোলসের বয়স), ৫৪ বছর (জেসিকার বয়স), ১৯৯০-৯৫ (পুলিশি কার্যক্রমের সময়কাল), ১১ মিনিট (বিবিসি প্রতিবেদনের পড়ার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!