📌 মালয়েশিয়া মিয়ানমারের ১ হাজার ৫০০ নাগরিককে ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ শুরু করেছে, কিন্তু জাতিসংঘের উদ্বেগ রয়েছে। মিয়ানমারের বর্তমান সংঘাত ও সহিংসতার কারণে তারা নিরাপদ ফেরত যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ
মালয়েশিয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ শুরু করলেও জাতিসংঘের উদ্বেগ বাড়ছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার আটককেন্দ্র থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিয়ানমারের নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) সতর্ক করে দিয়েছে যে, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফেরত যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়া মিয়ানমারের ১ হাজার ৫০০ নাগরিককে ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ শুরু করেছে, যার মধ্যে ৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিকের মধ্যে প্রথম দফায় এই সংখ্যক লোককে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
- 📌 জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ বলেছেন, মিয়ানমারের চলমান সশস্ত্র সংঘাত ও সহিংসতার কারণে নাগরিকদের ফেরত যাওয়ার কোনো নিরাপদ পথ নেই।
- 📌 মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের ১ লাখ ৯০ হাজার শরণার্থীর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু। তবে প্রথম দফায় কতজন রোহিঙ্গা ফেরত যাচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়।
- 📌 মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জুলাই মাসে ঘোষণা করেছিলেন, মিয়ানমারের ৫ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচির বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার আটককেন্দ্র থেকে ‘স্বেচ্ছায়’ দেশে ফিরতে সম্মত ৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিকের মধ্যে প্রথম দফায় ১ হাজার ৫০০ জনকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন। মিয়ানমারজুড়ে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, ব্যাপক সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ইউএনএইচসিআর মনে করে, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি তাদেরকে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফেরার সুযোগ দেয় না।’
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জুলাই মাসে ঘোষণা করেছিলেন যে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ৫ হাজার সদস্যকে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার পর মিয়ানমার বিদেশে বাস্তুচ্যুত নিজ দেশের নাগরিকদের ‘নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ’ প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়।
মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের ১ লাখ ৯০ হাজার শরণার্থীর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই রোহিঙ্গা। তবে প্রথম দফায় কতজন রোহিঙ্গা ফেরত যাচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়। সল্টমার্শ জোর দিয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় কাউকেই এমন কোনো দেশে পাঠানো উচিত নয়, যেখানে তিনি নিপীড়ন, নির্যাতন, গুরুতর ক্ষতি বা জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য অন্য কোনো হুমকির মুখে পড়তে পারেন।’
"আমরা উদ্বিগ্ন। মিয়ানমারজুড়ে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, ব্যাপক সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ইউএনএইচসিআর মনে করে, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি তাদেরকে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফেরার সুযোগ দেয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া (আটককেন্দ্র), মিয়ানমার (ফেরত যাওয়ার গন্তব্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যাথিউ সল্টমার্শ (জেনেভা), আনোয়ার ইব্রাহিম (মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫০০ জন (প্রথম দফা), ৫ হাজার জন (মোট), ১ লাখ ৯০ হাজার (মালয়েশিয়ায় শরণার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!