📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা দেশের মর্যাদাকে আরো সমুন্নত করবে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ভাষণকে দূরদর্শী ও দিকনির্দেশক বলে প্রশংসা করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। বঙ্গভবন থেকে আজ শুক্রবার পাঠানো রাষ্ট্রপতির বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণকে "দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশক" বলে প্রশংসা করেছেন।
- 📌 ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী ভাষণে "রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন" (৩-আর) কৌশল উল্লেখ করেছেন, যা দেশের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- 📌 জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী-যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অবস্থান তুলে ধরেছেন।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট চাপের সঠিক চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘকে "সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু" হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্রপতির প্রশংসা পেয়েছে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর "সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ" প্রত্যয়ে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণকে "দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশক" বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহির প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় উঠে এসেছে। তিনি দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ (৩-আর) কৌশল উল্লেখ করেছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন।
"প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট তীব্র চাপ, জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির সঠিক চিত্র ফুটে উঠেছে।"
রাষ্ট্রপতি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি এই ঘটনাকে একটি জাতির জন্য গৌরবময় বলে উল্লেখ করেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ, নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ৩-আর কৌশল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!