📌 জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। শুক্রবার অনুষ্ঠিত অনানুষ্ঠানিক ভোটে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য (যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র) প্রত্যেকেরই ‘অনুৎসাহিত’ ভোট দিয়েছে, যা কার্যত ভেটোর সমতুল্য। কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান সর্বাধিক ‘সমর্থন’ পেয়েছেন, কিন্তু দু’টি ভেটো পেয়েছেন
জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাতজন প্রার্থী। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত অনানুষ্ঠানিক ভোটে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য (যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র) প্রত্যেকেরই প্রত্যেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘অনুৎসাহিত’ ভোট দিয়েছে, যা কার্যত ভেটোর সমতুল্য। কূটনীতিক সূত্রে জানা গেছে, এই ভোটে প্রথমবারের মতো স্থায়ী সদস্যরা রঙিন কাঠি ব্যবহার করে ভেটো বোঝাতে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিকে, নির্বাচিত ১০ সদস্য সাধারণ কাঠি ব্যবহার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী — প্রত্যেকেরই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য থেকে ‘অনুৎসাহিত’ ভোট পড়েছে (কার্যত ভেটো)
- 📌 কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান সর্বাধিক ‘সমর্থন’ ভোট পেয়েছেন (৫টি ‘অনুৎসাহিত’ ভোট, যার মধ্যে দু’টি স্থায়ী সদস্য থেকে)
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ‘আমাদের শুধু সেরা প্রার্থীটিকেই প্রয়োজন’ — তবে ওয়াশিংটন কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করছে না
- 📌 সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত গাজার প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ ও তুরস্কের ওএসসিই মহাসচিব ফেরিদুন হাদি সিনিরলিওগলু
- 📌 বিদায়ী মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ — চূড়ান্ত প্রার্থীকে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো এড়াতে হবে
📰 বিস্তারিত
জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটে প্রত্যেক প্রার্থীর বিরুদ্ধেই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য ‘অনুৎসাহিত’ ভোট দিয়েছে। এই ভোটে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র রঙিন কাঠি ব্যবহার করে ভেটো বোঝাতে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিকে, নির্বাচিত ১০ সদস্য সাধারণ কাঠি ব্যবহার করেছেন। কূটনীতিক সূত্রে জানা গেছে, এই পদ্ধতি ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে চালু করা হয়েছিল, যা অচলাবস্থা কাটাতে ব্যবহৃত হয়।
কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান আগের পাঁচ দফা ভোটেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। এবারও তিনি সর্বাধিক ‘সমর্থন’ ভোট পেয়েছেন, কিন্তু পাঁচটি ‘অনুৎসাহিত’ ভোট পেয়েছেন, যার মধ্যে দু’টি স্থায়ী সদস্য থেকে। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রড্রিগেস-বার্কেট, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, সেনেগালের ম্যাকি সাল, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি ও মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, এবং উগান্ডার ওলারা ওতুনু।
যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ‘আমরা সব সময়ই বলে আসছি, আমাদের শুধু সেরা প্রার্থীটিকেই প্রয়োজন।’ তবে ওয়াশিংটন কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করছে না। তিনি আরও বলেন, ‘কোনো দেশ আরো প্রার্থী দিতে চাইলে, তা অবশ্যই তাদের সার্বভৌম অধিকার।’ সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর অধীনে গাজার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ এবং তুরস্কের ওএসসিই মহাসচিব ফেরিদুন হাদি সিনিরলিওগলু।
"আমাদের শুধু সেরা প্রার্থীটিকেই প্রয়োজন। কোনো দেশ আরো প্রার্থী দিতে চাইলে, তা অবশ্যই তাদের সার্বভৌম অধিকার।"
— মাইক ওয়াল্টজ, যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসঙ্ঘ দূত
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসঙ্ঘ সদর দফতর, নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেবেকা গ্রিনস্প্যান (কোস্টারিকা), মাইক ওয়াল্টজ (যুক্তরাষ্ট্র), নিকোলাই ম্লাদেনভ (গাজা প্রতিনিধি), লানা নুসেইবেহ (সংযুক্ত আরব আমিরাত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন প্রার্থী, ১৬ অক্টোবর, ১০ সদস্য, ৩১ ডিসেম্বর, ১৫ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!