📌 জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার গঠনে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের বিশ্বশান্তি ও জনকল্যাণে রূপরেখা তুলে ধরেন এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী। নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করেন
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার গঠনে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিক কূটনীতি, বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে অবদানের প্রশংসা করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের বিশ্বশান্তি ও জনকল্যাণে রূপরেখা প্রশংসা করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং নিউইয়র্ক সফরের তৃতীয় দিনে গুতেরেসের সাথে ফলপ্রসূ বৈঠক করেন
- 📌 বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী গুতেরেসের সহযোগিতা চান
- 📌 প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয় আলোচনা করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তুলে ধরেন, ফিলিস্তিনের অধিকার ও নারী-শিশু ক্ষমতায়নের বিষয়ও উল্লেখ করেন
📰 বিস্তারিত
মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে গুতেরেসের বৈঠকে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় এই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগিতা চান। বৈঠকে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিক কূটনীতি, বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে অনন্য অবদানের জন্য গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণকে ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, এই ভাষণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার রূপরেখা উঠে এসেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বমানবতার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যেমন ফিলিস্তিনের অধিকার, নারী-শিশু ক্ষমতায়ন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের তৃতীয় দিনে সাতটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অন্যতম। বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সমতা, ন্যায্যতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ককে বহুমাত্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয় আলোচনা করা হয়।
"বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সংহতি এবং যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ধরে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে আরও এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দফতর), পাকিস্তান, থাইল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মাহ্দী আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন), ৭ (কর্মসূচি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!