📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার ভাষণকে দূরদর্শী বলে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশামূলক ভাষণ প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে একটি বার্তা প্রকাশিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে প্রশংসা করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাষ্ট্রপতি অভিনন্দন**: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য অভিনন্দন জানান
- 📌 **বাংলায় প্রথম ভাষণ**: নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 📌 **৮১তম অধিবেশনে ভাষণ**: প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেন
- 📌 **উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতি**: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ’
- 📌 **গণতন্ত্রের মূল্যবোধ**: তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না’
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বার্তায় বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে দূরদর্শিতা ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা প্রদর্শন করেছেন’। এই ভাষণে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে দেশের প্রতিশ্রুতি পুনরাবৃত্তি করেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ’। তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে’।
রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ‘দিকনির্দেশনামূলক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভাষণে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রদর্শিত হয়েছে।
"জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ। রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর দপ্তর), বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!