📌 যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিষদে ১৫ সদস্য অনুষ্ঠানিক ভোটে নির্বাচিত হলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো সমালোচনা করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, এই অনুষ্ঠানিক নির্বাচন মানবাধিকারকে হাস্যরসের বিষয় করে তোলে এবং মানবাধিকার দূষিত রেকর্ডের দেশগুলোকে নির্বাচিত করে।
যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিষদে ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ অনুষ্ঠানিক ভোটে ১৫ সদস্যকে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অনুষ্ঠানিক নির্বাচনকে সমালোচনা করে বলেছে, এটি ‘মানবাধিকার’ শব্দের হাস্যরসের বিষয় করে তোলে। এই নির্বাচনে প্রতিটি অঞ্চল থেকে নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল, ফলে কোনো প্রতিযোগিতার প্রয়োজন পড়েনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ অনুষ্ঠানিক ভোটে ১৫ সদস্যকে তিন বছরের জন্য মানবাধিকার পরিষদে নির্বাচিত করেছে।
- 📌 মানবাধিকার ওয়াচের পরিচালক লুই চারবোননো বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানিক নির্বাচন ‘মানবাধিকার’ শব্দের হাস্যরসের বিষয় করে তোলে। কোনো সদস্যকে সোনার চাঁদা দিয়ে দেওয়া উচিত নয়।”
- 📌 আফ্রিকা থেকে জাম্বিয়া, ঘানা, নাইজেরিয়া ও বুরুন্ডি; এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে কুয়েত, নেপাল, জর্ডান ও জাপান; লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান থেকে ব্রাজিল, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ও উরুগুয়ে; পশ্চিমা থেকে আয়ারল্যান্ড ও জার্মানি; এবং মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ থেকে মোলদোভা ও ইউক্রেন নির্বাচিত হয়েছে।
- 📌 মানবাধিকার পরিষদ প্রতি দেশের মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনা করে, তদন্তকারী নিয়োগ করে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তদন্ত মিশন পাঠায়, যেমন উক্রেন, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল অঞ্চল, সুদান এবং উত্তর কোরিয়া, ইরান, মিয়ানমার।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০০৬ সালে মানবাধিকার পরিষদ গঠনের পর থেকে এই সংস্থার বিরুদ্ধে ইসরায়েল বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ তুলেছেন এবং তার দ্বিতীয় মেয়াদে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০০৬ সালে মানবাধিকার পরিষদ গঠনের পর থেকে এই সংস্থার বিরুদ্ধে ইসরায়েল বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ তুলেছেন এবং তার দ্বিতীয় মেয়াদে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন।
📰 বিস্তারিত
মানবাধিকার ওয়াচের পরিচালক লুই চারবোননো বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানিক নির্বাচন ‘মানবাধিকার’ শব্দের হাস্যরসের বিষয় করে তোলে। কোনো সদস্যকে সোনার চাঁদা দিয়ে দেওয়া উচিত নয়।” তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিযোগিতামূলক মনোনীত প্রার্থীদের দাবি করার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা মানবাধিকার দূষিত রেকর্ডের প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
এই নির্বাচনে ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদে প্রতিটি অঞ্চল থেকে নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। এই নির্বাচনটি ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মানবাধিকার পরিষদ প্রতি তিন বছর অন্তর নতুন সদস্যদের নির্বাচন করে।
জিনেভা-ভিত্তিক মানবাধিকার পরিষদ প্রতিটি দেশের মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনা করে, স্বাধীন তদন্তকারী নিয়োগ করে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তদন্ত মিশন পাঠায়। এই তদন্ত মিশনগুলোতে উক্রেন, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল অঞ্চল, সুদান এবং উত্তর কোরিয়া, ইরান, মিয়ানমার সহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্ত করা হয়েছে।
২০০৬ সালে মানবাধিকার কমিশনকে প্রতিস্থাপন করে এই পরিষদ গঠিত হয়েছিল। তবে এই পরিষদও সমালোচনার মুখে পড়েছে, বিশেষ করে যে, কিছু সদস্য তাদের নিজস্ব এবং তাদের মিত্রদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাকে রক্ষা করার জন্য এই পদে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে এই পরিষদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন। তিনি এই সংস্থাকে ইসরায়েল বিরোধী মনোভাবের অভিযোগে দায়ী করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি স্টেফান ডুজারিক (UN স্পোকesperson) বলেছেন, “এটি ১৯৩ সদস্যের রাষ্ট্রের জন্য একটি বিষয়। তবে আমরা সর্বদা বলেছি যে, এই সংস্থার সর্বোচ্চ মানবাধিকার সংস্থায় নির্বাচিত সদস্যরা অতিরিক্ত দায়িত্ব বহন করে মানবাধিকার রক্ষা করতে।”
"এই অনুষ্ঠানিক নির্বাচন ‘মানবাধিকার’ শব্দের হাস্যরসের বিষয় করে তোলে। কোনো সদস্যকে সোনার চাঁদা দিয়ে দেওয়া উচিত নয়।"
"মানবাধিকার দূষিত রেকর্ডের প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করতে পারার জন্য প্রতিযোগিতামূলক মনোনীত প্রার্থীদের দাবি করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জিনেভা (মানবাধিকার পরিষদ সদর দপ্তর), যুক্তরাষ্ট্র (ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাহার ঘোষণা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লুই চারবোননো (মানবাধিকার ওয়াচ), স্টেফান ডুজারিক (UN স্পোকesperson), ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সদস্য (নতুন নির্বাচিত), ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ, ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!