📌 জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-কুয়েত সম্পর্কের বিকাশ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা তুলে ধরে উভয় নেতা
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কুয়েতের স্থায়ী মিশনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তার নিয়ে আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে বাংলাদেশ-কুয়েত সম্পর্কের নতুন পর্যায় নির্ধারণ করা হয়
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদানকে বাংলাদেশ-কুয়েত সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন
- 📌 শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারকরণে উভয় নেতার একমত
- 📌 আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি
- 📌 উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের জনগণের কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বৈঠকে উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারকরণে একমত হন। এছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
বৈঠকের শেষে উভয় নেতা বাংলাদেশ ও কুয়েতের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
"বাংলাদেশ ও কুয়েতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে উঠেছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, কুয়েতের স্থায়ী মিশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম (জাতিসংঘ অধিবেশন), ২৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!