📌 ইউক্রেনের কিয়েভের বাইরে একটি বাড়িতে 'বলধ্বংসের কক্ষ' দাবি করে একটি নারীর ভিডিও ভাইরাল হয়ে ওঠে। সরকারের দাবি, এটি একটি মিথ্যা অভিযান। আজোভ ব্রিগেডের সাথে জড়িত এই ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু দাবি করা হয়েছিল।
ইউক্রেনের কিয়েভের একটি শান্তিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়ির সামনে একটি নারীর ভিডিও ভাইরাল হয়ে ওঠে। তিনি নিজেকে একটি প্যারামেডিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে বাধাক্রমে সৈনিকদের বাধ্য করা হয়েছে এবং তারা 'বলধ্বংসের কক্ষ'ে আটকাবদ্ধ। ৪৯ বছর বয়সী ভালেন্টিনা মোলোদা নামের এই নারী কিয়েভের বাইরে পেট্রোপাভলিভস্কা-বোর্সচাগিভকা এলাকায় একটি দুর্গম বাড়ির সামনে পুলিশের সামনে গিয়ে দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে বাধাক্রমে সৈনিক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এবং তারা নির্যাতিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৯ বছর বয়সী ভালেন্টিনা মোলোদা নামের একজন নারী প্যারামেডিকের দাবি অনুযায়ী, কিয়েভের বাইরে একটি বাড়িতে বাধাক্রমে সৈনিকদের বাধ্য করা হয়েছে এবং তারা নির্যাতিত হচ্ছে।
- 📌 মোলোদার দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে বাধাক্রমে সৈনিক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন।
- 📌 সরকারের দাবি, মোলোদার অভিযান ছিল একটি মিথ্যা এবং এটি প্রস্তুতকৃত ছিল। তিনি এবং তার দল আগে থেকেই বাড়ির সন্ধান করেছিলেন।
- 📌 বাড়িটি আজোভ ব্রিগেডের ব্যবহৃত স্থান ছিল, যারা দাবি করেছেন যে এই ঘটনাটি তাদের সৈনিকদের অবমাননা করার জন্য একটি 'সাবোটেজ'।
- 📌 মোলোদার ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি অ্যাম্বুলেন্সে আসেন, যা ২০২৩ সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তার দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছেন।
📰 বিস্তারিত
৬ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে ইউক্রেনের কিয়েভের বাইরে পেট্রোপাভলিভস্কা-বোর্সচাগিভকা এলাকায় একটি বাড়ির সামনে একটি নারী পুলিশের সামনে গিয়ে দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে বাধাক্রমে সৈনিকদের বাধ্য করা হয়েছে এবং তারা নির্যাতিত হচ্ছে। এই নারী ভালেন্টিনা মোলোদা নামের একজন ৪৯ বছর বয়সী নারী, যিনি একসময় একটি প্লাস্টিক সার্জারি ক্লিনিকে কাজ করতেন। তিনি নিজেকে একটি প্যারামেডিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন, কিন্তু তার অ্যাম্বুলেন্সে একটি বেসরকারি চিকিৎসা সংস্থার লোগো ছিল, যা ২০২৩ সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
মোলোদা একটি ভিডিও লাইভ স্ট্রিমিং শুরু করেছিলেন, যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে বাধাক্রমে সৈনিক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে 'বলধ্বংসের কক্ষ' রয়েছে এবং সেখানে নির্যাতন চলছে। তার দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে।
মোলোদার দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে।
"আমি গোড়ালি পেতে পড়েছি, আমাকে তাদের কাছে পৌঁছাতে দাও"
মোলোদার দাবি অনুযায়ী, বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন যে বাড়িতে আটকাবদ্ধদের মধ্যে একজনকে মারা গেছে এবং অন্যরা নির্যাতিত হচ্ছে।
ইউক্রেনের প্রধান সেনাপতি কিরিল বুদানভ বলেছেন যে মোলোদা এবং তার ড্রাইভার আগে থেকেই বাড়ির সন্ধান করেছিলেন। তিনি বলেছেন যে মোলোদা এবং তার দল আগে থেকেই বাড়ির সন্ধান করেছিলেন। বুদানভ বলেছেন যে মোলোদা এবং তার দল আগে থেকেই বাড়ির সন্ধান করেছিলেন। বুদানভ বলেছেন যে মোলোদা এবং তার দল আগে থেকেই বাড়ির সন্ধান করেছিলেন।
বুদানভ বলেছেন যে বাড়িটি আজোভ ব্রিগেডের ব্যবহৃত স্থান ছিল। আজোভ ব্রিগেডের কমান্ডার ডেনিস প্রোকোপেনকো বলেছেন যে এই ঘটনাটি তাদের সৈনিকদের অবমাননা করার জন্য একটি 'সাবোটেজ'। তিনি বলেছেন যে এই ঘটনাটি তাদের সৈনিকদের অবমাননা করার জন্য একটি 'সাবোটেজ'।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পেট্রোপাভলিভস্কা-বোর্সচাগিভকা, কিয়েভ, ইউক্রেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভালেন্টিনা মোলোদা, কিরিল বুদানভ, ডেনিস প্রোকোপেনকো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জনেরও বেশি আটকাবদ্ধ ব্যক্তি, ৪৯ বছর বয়সী ভালেন্টিনা মোলোদা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!