📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউক্রেন যুদ্ধবন্দী উত্তর কোরীয় সেনাদের দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আসা: পুনর্বাসন বা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে সংকট

ইউক্রেন যুদ্ধবন্দী উত্তর কোরীয় সেনাদের দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আসা: পুনর্বাসন বা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে সংকট

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইউক্রেনে রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তা যাচাই ও সামরিক তথ্য সংগ্রহের পর পুনর্বাসন বা উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী দলের আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, তারা উত্তর কোরিয়ার বিশেষ বাহিনীর সদস্য এবং যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রাখেন। অন্যদিকে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইনফ্লুয়েন্সার নিধি তিওয়ারি আত্মহত্যা করেছেন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের নিরাপত্তা যাচাই, জিজ্ঞাসাবাদ ও সামরিক তথ্য সংগ্রহের পর পুনর্বাসনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই দুই সেনার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তাদের পরিচয় ও অবস্থান দীর্ঘদিন গোপন রাখা হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী দলের আইনপ্রণেতা ইউ ইয়ং-ওন জানিয়েছেন, তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে এই দুই সেনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁর দাবি, তারা উত্তর কোরিয়ার বিশেষ বাহিনীতে কাজ করেছেন এবং রাশিয়ার যুদ্ধে দেশটির অংশগ্রহণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রাখতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইউক্রেন যুদ্ধবন্দী**: রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আসা হয়েছে।
  • 📌 **৯০ দিনের তদন্ত**: দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এনআইএস) তাদের পরিচয়, দেশ ছাড়ার কারণ ও নিরাপত্তা বিষয় যাচাই করবে।
  • 📌 **সামরিক তথ্য সংগ্রহ**: তারা উত্তর কোরিয়ার সামরিক প্রশিক্ষণ ও রাশিয়ার যুদ্ধে অংশগ্রহণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রাখতে পারে।
  • 📌 **মানবাধিকার নীতি**: ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ নীতির কারণে উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে মানবাধিকারগত প্রশ্ন উঠেছে।
  • 📌 **স্বজনদের সুরক্ষা**: দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছে, সেনাদের উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানোর আগে তাদের স্বজনদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
  • 📌 **ইউক্রেনের প্রতিবাদ**: ইউক্রেন দাবি করেছে, কোনো গোপনীয়তা চুক্তি ছিল না।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত আইন এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এনআইএস সাধারণত উত্তর কোরীয়দের পরিচয়, দেশ ছাড়ার কারণ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় যাচাই করে। এই তদন্ত ও অস্থায়ী সুরক্ষার মেয়াদ সাধারণত ৯০ দিন পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তা বাড়ানোও সম্ভব। তবে এই দুই সেনার ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসাবাদ আরও বিস্তৃত হতে পারে, কারণ তারা উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সরাসরি অভিজ্ঞতা রাখেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী দলের আইনপ্রণেতা ইউ ইয়ং-ওন জানিয়েছেন, তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে এই দুই সেনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁর দাবি, তারা উত্তর কোরিয়ার বিশেষ বাহিনীতে কাজ করেছেন। ফলে উত্তর কোরিয়ার সামরিক প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা এবং রাশিয়ার যুদ্ধে দেশটির অংশগ্রহণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রী সাধারণত উত্তর কোরিয়া থেকে আসা ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কারণে এনআইএসের পরিচালকও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

দুই সেনার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তাদের পরিচয় ও অবস্থান দীর্ঘ সময় গোপন রাখা হতে পারে। তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাও পরীক্ষা করা হবে। ইউ ইয়ং-ওন জানান, ইউক্রেনে বন্দী অবস্থায় তাদের আলাদা করে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের বন্দিত্ব, বিচ্ছিন্নতা ও অনিশ্চয়তা তাদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে কাউকে এমন দেশে ফেরত পাঠানো নিষিদ্ধ, যেখানে নির্যাতন, নিপীড়ন বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে। এই নীতিকে ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ বলা হয়।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় আত্মহত্যা করা উত্তর কোরীয় সেনাদের প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে, ওই দুই সেনা একাধিকবার দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ফলে তাদের উত্তর কোরিয়ায় ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে মানবাধিকারগত প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী যুদ্ধবন্দীদের সক্রিয় যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দ্রুত মুক্তি ও নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিধান রয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে যুদ্ধ চলাকালে তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর সব ক্ষেত্রেই নিষিদ্ধ। দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউক্রেন এখনো দুই সেনাকে স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি প্রকাশ করেনি।

"দুই সেনার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তাদের পরিচয় ও অবস্থান দীর্ঘদিন গোপন রাখা হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন, উত্তর কোরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউ ইয়ং-ওন, কিম জং উন, দুই উত্তর কোরীয় সেনা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ দিন, ১৬ লাখ (নিধি তিওয়ারির অনুসারীর সংখ্যা), ৩০ বছর (নিধির বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖