📌 যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে ডিজেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ট্রাম্পের সম্ভাব্য পদক্ষেপের কারণে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে। জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব উল্লেখযোগ্য
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ডিজেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধে যুক্তরাজ্য সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি নিজস্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর জন হিলি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রফতানি বন্ধের পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্যের নিজস্ব জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে ডিজেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধে, চ্যান্সেলর জন হিলি জানান নিজস্ব মজুত ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে
- 📌 যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১৯৯.৩৩ পেন্সে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের রেকর্ড ১৯৯.০৯ পেন্সের চেয়ে বেশি
- 📌 পেট্রলের দামও বেড়েছে প্রতি লিটার ১৭৪.২৩ পেন্সে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব উল্লেখযোগ্য
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশীয় ভোক্তাদের জন্য জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টায় ডিজেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর জন হিলি বিবিসির সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা যদি কার্যকর হয়, তাহলে যুক্তরাজ্য নিজস্ব জ্বালানি মজুত ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রফতানি বন্ধের পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্যের নিজস্ব মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেই মজুত ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের গড় দাম প্রতি লিটার ১৯৯.৩৩ পেন্সে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের জুনে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে রেকর্ড করা সর্বোচ্চ দাম। পেট্রলের দামও প্রতি লিটার ১৭৪.২৩ পেন্সে বেড়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ পড়া।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশীয় ভোক্তাদের জন্য জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টায় ট্রাম্প প্রশাসন এমন পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।
"যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রফতানি বন্ধ করে দিলে পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাজ্যের নিজস্ব মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেই মজুত ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জন হিলি, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯.৩৩ পেন্স (ডিজেলের দাম), ১৭৪.২৩ পেন্স (পেট্রলের দাম), ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!