📌 যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেছেন ফেয়ারফোর্ড এয়ারবেসে ঘটে যাওয়া ঘটনায়। ইরান তীব্রভাবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। পাঁচজন ব্রিটিশ যুবককে ‘তerrorism’ ও ‘বোমা অপকর্ম’-এর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল, পরে তাদের বাইলে মুক্তি দেওয়া হয়
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, ফেয়ারফোর্ড রয়্যাল এয়ার ফোর্স (RAF) বেসে সপ্তাহান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনায় ইরানের জড়িত থাকার ‘মজবুত সন্দেহ’ রয়েছে। এই অভিযোগের মুখে ইরান তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বার্নহামের কথাগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। বার্নহাম ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম BBC-এ বলেন, বেসে ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এতে ইরানের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি আরো বলেন, এখনো তদন্ত চলমান এবং জটিল বিষয়। পাঁচজন ব্রিটিশ যুবককে সপ্তাহের প্রথম দিন বেসের নিকটে ‘তerrorism’ ও ‘বোমা অপকর্ম’-এর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল, কিন্তু একদিন পর তাদের বাইলে মুক্তি দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইরানের জড়িত থাকার সন্দেহ**: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, ফেয়ারফোর্ড এয়ারবেসে ঘটে যাওয়া ঘটনায় ইরানের ‘মজবুত সন্দেহ’ রয়েছে।
- 📌 **পাঁচজন ব্রিটিশ যুবক গ্রেফতার**: তাদের ‘তerrorism’ ও ‘বোমা অপকর্ম’-এর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল, পরে বাইলে মুক্তি দেওয়া হয়।
- 📌 **ইরানের প্রতিক্রিয়া**: ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘ্চি বার্নহামের কথাগুলো প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘ব্রিটিশ সরকারের এই অভিযোগই সবকিছু বলে দিচ্ছে’।
- 📌 **বেসের গুরুত্ব**: ফেয়ারফোর্ড বেস ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে লন্ডনের অবস্থিত এবং এটি মার্কিন বোম্বার বিমানগুলোর ব্যবহৃত হয়। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এই ধরনের বেসগুলিকে তাদের অঞ্চল আক্রমণের শিকার বলে মনে করে।
- 📌 **বোমা না পাওয়া**: তদন্তকারীরা তিন দিনের তদন্তের পরে কোনো বোমা না পেয়ে ‘কিছু পরিমাণ পেট্রোল’ পাওয়া যায়।
- 📌 **মার্কিন নেতাদের প্রতিক্রিয়া**: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বাইলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
- 📌 **সন্দেহের কারণ**: একজন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে এমার্জেন্সি সার্ভিসকে কল করেছিলেন। তদন্তকারীরা এটিকে ‘সার্ভিলেন্স’, ‘সিকিউরিটি টেস্ট’ বা ‘সরকারকে বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, ফেয়ারফোর্ড এয়ারবেসে সপ্তাহান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনায় ইরানের জড়িত থাকার ‘মজবুত সন্দেহ’ রয়েছে। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় ইরানের ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এখনো তদন্ত চলমান এবং জটিল বিষয়। আমরা মার্কিন সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।” বার্নহাম আরো বলেন, তিনি পরবর্তীতে আরো তথ্য দেবেন।
ইরান তীব্রভাবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘ্চি টুইট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম বলেছেন যে ব্রিটিশ সরকার ‘ইরানের জড়িত থাকার সম্ভাবনা’ সম্পর্কে নিশ্চিত। আমি বলতে চাই, ‘ব্রিটিশ সরকারের এই অভিযোগই সবকিছু বলে দিচ্ছে’। আপনি ভুল পথে যাচ্ছেন।”
ফেয়ারফোর্ড বেস লন্ডনের ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এবং মার্কিন বোম্বার বিমানগুলোর ব্যবহৃত হয়। বিশেষত, মার্কিন-ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় এই বেস ব্যবহৃত হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এই ধরনের বেসগুলিকে তাদের অঞ্চল আক্রমণের শিকার বলে মনে করে এবং এগুলোকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে।
তদন্তকারীরা তিন দিনের তদন্তের পরে কোনো বোমা না পেয়ে ‘কিছু পরিমাণ পেট্রোল’ পাওয়া যায়। মার্কিন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বাইলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “আমি এমন সিদ্ধান্ত নিতাম না”। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, অনেক লোক এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।
ব্রিটিশ কাউন্টার-টেররিজম পুলিশের প্রধান লরেন্স টেলর বলেছেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা তদন্তের অধীনে রয়েছেন এবং বাইলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘অভিজ্ঞতা ও রণনীতি’ ভিত্তিতে। তিনি বলেন, তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসা করছেন যে, এই অপরাধগুলো কি ‘প্রক্সি বা ব্যক্তিরা, জানে না বা জানা অবস্থায়, কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করছিল’।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে এমার্জেন্সি সার্ভিসকে কল করেছিলেন। তদন্তকারীরা এটিকে ‘সার্ভিলেন্স’, ‘সিকিউরিটি টেস্ট’ বা ‘সরকারকে বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তারা জানতে চায় যে, কি কারণে তিনি এমার্জেন্সি সার্ভিসকে কল করেছিলেন। তবে পুলিশ এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
"মজবুত সন্দেহ রয়েছে যে ইরান এই ঘটনায় জড়িত ছিল। তবে এখনো তদন্ত চলমান এবং জটিল বিষয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেয়ারফোর্ড, যুক্তরাজ্য (লন্ডনের ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘ্চি, লরেন্স টেলর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন ব্রিটিশ যুবক গ্রেফতার, ১৬০ কিলোমিটার দূরত্ব, ৩ দিন তদন্ত, ১ জন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি এমার্জেন্সি কল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!