📌 ইসরায়েলের মেয়াদ শেষে যুক্তরাজ্যের জেরুসালেম কনসুলেট থেকে ব্রিটিশ কনসুলেটের চিহ্ন সরানো হয়েছে। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ যুক্তরাজ্যের সাথে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটায়। ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের নির্দেশে ৩০ দিন আগে থেকে এই কনসুলেট বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল
ইসরায়েলের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে যুক্তরাজ্যের জেরুসালেমে অবস্থিত কনসুলেট থেকে ব্রিটিশ কনসুলেটের চিহ্ন সরানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মধ্যে ইতিমধ্যে উত্তেজিত সম্পর্ককে আরো ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। রায়টার্স সংবাদ সংস্থার জার্নালিস্টরা শুক্রবার দেখেছেন, কনসুলেটের ভবনে ‘ব্রিটিশ কনসুলেট জেনারেল’ লেখা প্লাকেট এবং কনসুলার বিভাগের চিহ্ন সরানো হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্যের পতাকা এখনও ভবনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইসরায়েলের মেয়াদ শেষে** যুক্তরাজ্যের জেরুসালেম কনসুলেট থেকে ‘ব্রিটিশ কনসুলেট জেনারেল’ লেখা প্লাকেট ও কনসুলার বিভাগের চিহ্ন সরানো হয়েছে।
- 📌 **৩০ দিন আগে** ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার কর্তৃক কনসুলেট বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের ইলেগাল ইসরায়েলি বসতিগুলোর উপর আরোপিত সנקশনের প্রতিবাদে।
- 📌 **যুক্তরাজ্য** ২৭ জন ইসরায়েলি ডিপ্লোম্যাটকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দিয়েছিল, যদি ইসরায়েল কনসুলেট বন্ধ করে। তবে ইসরায়েলের দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত রয়েছে।
- 📌 **যুক্তরাজ্যের টপ ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার** শুক্রবার ইসরায়েলে যান এবং কনসুলেট খোলা রাখার জন্য আলোচনা করেন, কিন্তু ইসরায়েলের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি।
- 📌 **কনসুলেটের কার্যক্রম** এখনও স্পষ্ট নয়, যুক্তরাজ্যের বিদেশ মন্ত্রণালয় কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে অস্বীকার করেছে।
- 📌 **কনসুলেটের অবস্থান** জেরুসালেমের শেখ জরাহ এলাকায়, যা ইসরায়েল কর্তৃক অধিগ্রহণ করা। এটি যুক্তরাজ্যের প্যালেস্টাইনিদের সাথে সম্পর্কের প্রধান কেন্দ্র।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের নির্দেশে ৩০ দিন আগে থেকে যুক্তরাজ্যের জেরুসালেম কনসুলেট বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। এই পদক্ষেপের পেছনে যুক্তরাজ্যের ইলেগাল ইসরায়েলি বসতিগুলোর উপর আরোপিত সנקশন ছিল। যুক্তরাজ্য ইসরায়েলি বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে বলে মনে করে এবং তাদের সাথে সম্পর্কিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। তবে ইসরায়েল এই সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করে এবং যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়’ বলে মনে করে।
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে ২৭ জন ইসরায়েলি ডিপ্লোম্যাটকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দিয়েছিল। তবে ইসরায়েলের দৃঢ় অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের টপ ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার শুক্রবার ইসরায়েলে যান এবং কনসুলেট খোলা রাখার জন্য আলোচনা করেন। কিন্তু ইসরায়েলের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি।
যুক্তরাজ্যের জেরুসালেম কনসুলেটের কার্যক্রম ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠার আগে থেকেই চলছে। এই কনসুলেটের প্রধান কাজ ছিল প্যালেস্টাইনিদের সাথে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক পরিচালনা করা এবং তাদের কনসুলার সেবা প্রদান করা। তবে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে কনসুলেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের বিদেশ মন্ত্রণালয় কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে অস্বীকার করেছে, তবে কনসুলেটের কর্মকর্তারা কি দেশে ফিরে গেছেন তা স্পষ্ট নয়।
"British Consulate General"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেখ জরাহ, জেরুসালেম (অধিগ্রহণকৃত পূর্ব জেরুসালেম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিডিয়ন সার (ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী), যুক্তরাজ্যের টপ ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন (মেয়াদ), ২৭ জন (ইসরায়েলি ডিপ্লোম্যাট), ২০০ বছর (যুক্তরাজ্যের জেরুসালেমে উপস্থিতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!