📌 সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ পাওয়ারাস প্রতি মাসে তিন হাজার প্রতিরক্ষা ড্রোন উৎপাদন শুরু করেছে। ইরানের ড্রোন হামলা প্রতিরোধে এই উদ্যোগ। ২০২৭ সালের মধ্যে মাসে পনের হাজার ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি কারখানায় যুক্তরাষ্ট্রের স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান পাওয়ারাস প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কাজ করে প্রতি মাসে প্রায় তিন হাজার প্রতিরক্ষা ড্রোন উৎপাদন করছে। এই ড্রোনগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ মাইল গতিতে উড়ে ইরানের ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। গত মাস থেকে উৎপাদন শুরু হওয়া এই কারখানাটি মধ্যপ্রাচ্যে পাওয়ারাসের প্রথম উৎপাদন কেন্দ্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সংযুক্ত আরব আমিরাতের কারখানায় প্রতি মাসে প্রায় তিন হাজার প্রতিরক্ষা ড্রোন উৎপাদন হচ্ছে
- 📌 প্রতিটি ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ মাইল গতিতে উড়ে ইরানের ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম
- 📌 পাওয়ারাসের তৈরি প্রতিরক্ষা ড্রোনটির নাম 'গার্ডিয়ান', যার দাম প্রায় পাঁচ হাজার ডলার
- 📌 ২০২৭ সালের মাঝামাঝি নাগাদ মাসে পনের হাজার প্রতিরক্ষা ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি
- 📌 ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ৫০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দুই হাজার দুই শতাধিক ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের কারখানাটিতে শ্রমিকেরা ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারে তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জুড়ে প্রতিরক্ষা ড্রোন তৈরি করছেন। পাওয়ারাসের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বিপণন বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল সিনেনস্কি জানিয়েছেন, কারখানাটির কর্মীদের বেশির ভাগই ফিলিপাইন ও চীনের নাগরিক। তাঁরা প্রতিদিন প্রায় ৩০টি প্রতিরক্ষা ড্রোন তৈরি করছেন। শিগগিরই এ সংখ্যা ১০০-তে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
পাওয়ারাসের তৈরি প্রতিরক্ষা ড্রোন 'গার্ডিয়ান' তুলনামূলকভাবে সহজে সংযোজন করার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। এর বিভিন্ন অংশ অনেকটা লেগোর মতো জোড়া লাগানো যায়। এতে বাজারে সহজলভ্য ক্ষুদ্রাকৃতির চিপ এবং বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয় প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়। গার্ডিয়ান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারে না, তবে ইরানের হামলায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শাহেদ ড্রোন প্রতিরোধে কার্যকর।
পাওয়ারাস ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য দুই কোটি বিশ লাখ ডলারের একটি বাণিজ্যচুক্তি করেছে। ভারতের মুম্বাইয়ের কাছে একটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও কাজ শুরু করেছে তারা।
"প্রতিরক্ষাশিল্পে প্রচলিত ব্যবসার ধরন বদলে ফেলতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। এই শিল্প সাধারণত ধীরগতির, আমলাতান্ত্রিক ও ব্যয়বহুল হিসেবে পরিচিত। কিন্তু মিত্রদেশগুলোর জরুরি চাহিদা মেটাতে পাওয়ারাস এমন সব অঞ্চলের স্থানীয় নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করছে, যেখানে এসব প্রতিরক্ষা ড্রোন প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 প্রতিষ্ঠান: পাওয়ারাস
- 🔢 উৎপাদন ক্ষমতা: প্রতি মাসে তিন হাজার প্রতিরক্ষা ড্রোন
- 🔢 লক্ষ্যমাত্রা: ২০২৭ সালের মাঝামাঝি মাসে পনের হাজার ড্রোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!